বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

টেস্ট ক্রিকেটে সর্বনিম্ন রানের দলীয় স্কোর

এখানে আমরা দেখবো, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে কোন দলগুলো এক ইনিংসে সবচেয়ে কম রানের মালিক । সবচেয়ে কম রানের রেকর্ডটির মালিক মাত্র ২৬ রান নিয়ে নিউজিল্যান্ড। ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ড তাদেরকে ২৬ রানে বিদায় করে দিয়ে করা রেকর্ডটি এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হচ্ছে, শীর্ষ দশ কম রানের মধ্যে ৫টিই দক্ষিণ আফ্রিকার দখলে। আরেকটি লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হচ্ছে দশ শীর্ষ রেকর্ডের ৮টি ক্ষেত্রেই বিপক্ষ দল ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষকে অল্প রানে বেঁধে ফেলার ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের ইতিহাস বেশ ভালো।
উপমহাদেশের দলগুলোর মধ্যে একমাত্র ভারতের সর্বনিম্ন ১০টি ইনিংসের একটি আছে। 
 সারণিঃ টেস্টে এক ইনিংসে কম রানের দলীয় ইনিংসঃ
দল রান বিপক্ষ সন
নিউজিল্যান্ড ২৬ ইংল্যান্ড ১৯৫৫
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০ ইংল্যান্ড ১৮৯৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০ ইংল্যান্ড ১৯২৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫ ইংল্যান্ড ১৮৯৯
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৬ অস্ট্রেলিয়া ১৯৩২
অস্ট্রেলিয়া ৩৬ ইংল্যান্ড ১৯০২
নিউজিল্যান্ড ৪২ অস্ট্রেলিয়া ১৯৪৬
অস্ট্রেলিয়া ৪২ ইংল্যান্ড ১৯৮৮
ভারত ৪২ ইংল্যান্ড ১৯৭৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩ ইংল্যান্ড ১৮৮৯

সূত্রঃ সর্বনিম্ন রানের সবগুলো স্কোর দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বিদেশি ভাষা শিখে লাভ কী?

আমাকে ইদানিং বিদেশি ভাষা শেখার বাতিকে পেয়েছে। ইংরেজিতে তো আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। ধর্মীয় কারণে পরিচয় আছে আরবি ভাষার সাথে। অন্যতম সহজ ও ব্যবহৃত ভাষা হিসেবে স্প্যানিশ শেখার চেষ্টায় আছি। উর্দু, হিন্দিতো কাছাকাছি ভাষা। আশা করি, এক সময় ফ্লুয়েন্ট হতে পারবো, ইনশা'আল্লাহ।  অন্য ভাষাগুলো শিখতে না পারলেও যাতে অন্তত পড়তে পারি, সে জন্য বর্ণমালা ও তাদের উচ্চারণ শেখার চেষ্টা করছি। যেমন রুশ, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ইত্যাদি।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ভাষা শিখে লাভ কী? এই প্রশ্নের জবাব নিয়েই এই পোস্ট।
কারণ ১- ভ্রমণঃ
আপনি কোন দেশ বা অঞ্চল ঘুরতে গেলেন। যখন আপনি তাদের স্থানীয় ভাষায় কথা বলতে পারবেন, তখন তাদের সাথে মিশতে পারবেন সহজেই। তারাও আন্তরিকতা দেখাবে। ভালো ধারণা লাভ করতে পারবেন তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কেও।
কারণ ২- চাকুরীঃ
আপনি যদি বিদেশে জব করতে চান, তবে সেদেশের ভাষা জানা আপনাকে অন্যদের চেয়ে অবশ্যই এগিয়ে রাখবে।
কারণ ৩- ব্রেইন চর্চাঃ
অনেকেই বলেন, গেমস খেললে অনেক বুদ্ধি বাড়ে। হয়তো বাড়ে বটে! তবে, সেটা সীমাবদ্ধ থাকে গেমের জগতেই। গেমে ভিলেন মারার মাধ্যমে আপনি বাস্তবের ভিলেনকে মারতে পারবেন না। কিন্তু, একটি বিদেশি ভাষা শিখতে গেলে ব্রেনের ভালো চর্চা হয়, কর্মক্ষমতা বাড়ে। আর, পরিশ্রমও বিফলে যায় না। Claude Hagège  এর মতে একভাষী (Monolingual) লোকের চেয়ে দ্বিভাষী (Bilingual) লোকদের বোধশক্তি ভালো থাকে।
পাশাপাশি নতুন ভাষা শেখার মাধ্যমে verbal intelligence, conceptual training এবং যুক্তি প্রদানের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সহজেই বের করা যায় বাস্তব জীবনের অন্য সমস্যারও সমাধান।
কারণ ৪ -ভাষার সৌন্দর্য্যঃ
প্রত্যেকটি ভাষাই সুন্দর। এদের রয়েছে দারুণ গঠন, শব্দাবলী, ব্যাকরণশৈলী ও ছন্দ। আসলে, মন থেকে কোন ভাষা শিখতে চাইলে এদের সৌন্দর্যে বিমোহিত না হয়ে উপায় নেই। একই শব্দের অর্থ যখন অনেকগুলো ভাষায় আপনি জানবেন, তখন হৃদয়ে পুলক অনুভব না করলে আমাকে বলবেন।
কারণ ৫- কৌতূহলঃ
বিভিন্ন সভ্যতা ও সংস্কৃত সম্পর্কে জানার আগ্রহই হলো কৌতূহল। এর মাধ্যমে প্রসারিত হবে আপনার হৃদয়, বাড়বে সহিষ্ণুতা, এবং আত্মোপলদ্ধি ঘটবে নিজের পরিচয় সম্পর্কে।
কারণ ৬ -জ্ঞানার্জনঃ
এই কারণটি শেষে বললেও এই গুরুত্ব নিম্নতম নয়। একটি নতুন ভাষা শেখা মানেই আপনার জ্ঞানের পারদ আরেকটু উঁচু হয়ে গেল। দুনিয়াকে বুঝতে হলে, এর ইতিহাস ও বিকাশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে  ভাষা শেখা হতে পারে একটি ভালো সিঁড়ি। ভাষা সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সভ্যতা ও অঞ্চলের মধ্যে তুলনা ও সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারবেন। বিভিন্ন জাতি ও গোত্রের গোড়া খুঁজে পাবেন।
এছাড়া, আমি সব সময়ই মনে করি, জ্ঞানার্জন তথা নতুন কিছু শেখা হচ্ছে সবচেয়ে মজার বিনোদন। জ্ঞানার্জন শুধু একাডেমিক প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নয়। এখানে, সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে জ্ঞানার্জনের হাজারো উপকরণ। এই রকম একটিই হচ্ছে ভাষা।

শেষে বলবো, ভাষা শেখা আপনার মানসিক প্রশান্তির কারণও হতে পারে। কারণ, যে কোন জ্ঞানই মনে প্রশান্তি ঢেলে দেয়। সেটা যখন হয় প্রায়োগিক, তখন তো আর কথাই নেই।
একমত? ভাষা বিষয়ক পোস্টগুলোর পেছনে লেগে থাকুন!

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

ভাষার বৈচিত্র্য ও পরিসংখ্যান


বিশ্বের জীবন্ত ভাষার সংখ্যাঃ ৬৯১২
প্রায় বিলুপ্ত ভাষার সংখ্যাঃ ৫১৬
সবচেয়ে বেশি স্থানীয় কথক ( native speaker ) আছেঃ মান্দারিন ভাষার 
সবচেয়ে বেশি বিদেশী কথকের (non-native speakers) দিক দিয়ে শীর্ষেঃ ইংরেজি ভাষা। প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ কোটি লোক ২য় ভাষা হিসেবে এই ভাষায় কথা বলে। 
সবচেয়ে বেশি ভাষার দেশঃ পাপুয়া নিউগিনি। এতে ৮২০ খানা জীবন্ত ভাষার ছাড়াছড়ি রয়েছে। 
ভাষার উদ্ভবঃ ১ লক্ষ খৃষ্টপূর্বে। 
প্রথম লিখিত ভাষাঃ সুমেরীয় (Sumerian) বা মিশরীয় (Egyptian)। ৩২০০ খৃষ্টপূর্বে। 
এখনও টিকে আছে এমন প্রাচীনতম ভাষাঃ চাইনিজ বা গ্রিক (১৫০০ খৃষ্টপূর্ব থেকে)। 
সবচেয়ে বেশি শব্দার্থঃ ইংরেজি ভাষায়। প্রায় আড়াই লাখ স্বতন্ত্র শব্দ। 
সবচেয়ে কম শব্দার্থঃ টাকি টাকি বা স্রনম ভাষা। এতে মাত্র ৩৪অটি শব্দ আছে। সুরিনামের ১ লাখ বিশ হাজার মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। 
সবচেয়ে বেশি অক্ষরঃ খেমর (Khmer)। এই ভাষায় অক্ষর আছে ৭২ টি। কম্বোডিয়ার সরকারী এই ভাষায় ১ কোটি বিশ লাখ লোক কথা বলেন। 
সবচেয়ে কম অক্ষরঃ রটোকাস (Rotokas)। এতে আছে ১২টি বর্ণ। পাপুয়া নিউগিনির ৪৩০০ মানুষের মুখে এই ভাষা উচ্চারিত হয়। 
সবচেয়ে কম ব্যতিক্রমী (Irregular) ক্রিয়াঃ এসপার‍্যান্তো (Esperanto )। এতে একটিও ব্যতিক্রমী ক্রিয়া নেই। সবগুলো ক্রিয়া নিয়ম মেনে চলে। 
সবচেয়ে বেশি অস্কার জিতেছেঃ ইতালিয়ান ভাষা। 
ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে বড় শব্দঃ pneumonoultramicroscopicsilicovolcanoconiosis । অযফোর্ড ডিকশনারিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে বড় এই শব্দটি দ্বারা ফুসফুসের একটি রোগকে বোঝানো হয়। একে সংক্ষেপে silicosis ও বলে।
http://www.vistawide.com/languages/language_statistics.htm

বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

রুশ ভাষার উচ্চারণ চর্চা

сто рублей (১০০ রুবল)
сто долларов -স্টো ডল্লারভ- ১০০ ডলার
আমরা আগের পোস্টে রুশ ভাষার বর্ণমালা শিখেছি। এবারে, এগুলোকে কাজে লাগিয়ে রুশ ভাষা পড়তে শিখবো। বলতে না পারি, অন্তত পড়তেতো পারবো।
প্রথমেই জেনে নিই রুশ ভাষাকে রুশ ভাষায় কী বলে। আমরা যাকে রুশ ভাষা বলি, তাকে ইংরেজরা বলে রাশিয়ান (Raussian)। আর, রুশরা কিন্তু বলে ру́сский язы́к । (শেষের জিনিসটা কিন্তু 'দাঁড়ি' (।), একে আবার কোন বর্ণ মনে করে বসবেন না) । এখন এই জিনিসটার উচ্চারণ কী?
ইংরেজিতে এর উচ্চারণ russky yazyk। বাংলায় হবে 'রুসকি ইয়াযিক'। এবার মিলিয়ে নিন। আমরা জানি, р এর উচ্চারণ 'র' এর মতো। এর পরে, y এর উচ্চারণ ''oo" এর মত। с হচ্ছে 'স' এর মত। k 'ক' এর মতই। и হচ্ছে 'ই' এর মতো বা ই-কার। ফলে, প্রথম অংশ দাঁড়াল 'রুসকি'।
я এর উচ্চারণ 'ইয়া' এর মত। з হলো 'য' এর মতো। ы́ হচ্ছে 'ই' এর ন্যায়। তাই, язы́к এর রুশ উচ্চারণ দাঁড়ায় ইয়াযিক। সহজই তো, তাই না?
চলুন, আরো কিছু চর্চা করি।
১. Нет এর উচ্চারণ নিয়েট (nyet)। মিলিয়ে নিন বর্ণামালার উচ্চারণের সাথে।এর অর্থ হচ্ছে, 'না'।
২. Семь - সিয়েম (syem)। অর্থ, 'সাত'। 
৩. Пять - পিয়াট (pyat)। অর্থ 'পাঁচ'
৪. Метрo -   মিয়ে-ট্রো (mye-tro) । অর্থ হচ্ছে মেট্রো, আন্ডাগ্রাউন্ড রেলপথ। 
৫. До свидания - ডা-সভিডানিয়া, -da-svee-da-nee-ye। অর্থ, 'বিদায়'।
৬. Спасибо -স্পাসিবা,  spa-see-ba। অর্থ 'ধন্যবাদ'।
৭. Да- ডা। অর্থ 'হ্যাঁ'। 
৮. сто - স্টো বা sto। অর্থ ১০০।
৯. Пока - পাকা। অর্থ হচ্ছে 'বিদায়', Bye। 
১০. Плохо - প্লোখা। এর অর্থ, 'খারাপ'।
১১. Хорошо - খোরাশো। অর্থ হচ্ছে, 'ভালো'। 
১২. Михаи́л Серге́евич Горбачёв - মিখাইল সেরগেইভিচ গর্বাচভ- Mikhail Sergeyevich Gorbachov। সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ রাষ্ট্রনায়ক।
১৩. Дми́трий Ива́нович Менделе́е - দিমিত্রি ইভানোভিচ মেনডেলীভ, Dmitri Ivanovich Mendeleev। এই ব্যক্তি হলেন রসায়নের পর্যায় সারণির জনক। 
১৪. Влади́мир Влади́мирович Пу́тин - ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ পুতিন। রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট (২০০০ সাল থেকে) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। 
১৫.  Моя мама любит музыку - ময়া মামা লিউভিট মুযিকু। অর্থ, আমার মা গান ভালোবাসেন। 
১৬. шесть книг- শিয়েস্ত-ক নিগ। অর্থ 'ছয়টি বই'। 
১৭. семь газет - সিয়েম গাযিয়েট। অর্থ, সাতটি পত্রিকা। 
১৮. восемь зданий - ভোচিয়েম-য ডানি। আটটি ভবন। 
১৯. девять собак - ডিবিয়াট সোবাক। নয়টি কুকুর। 
২০. десять студентов - ডিয়েসিয়াট-স-টুডিয়েনটাভ। দশজন ছাত্র। 
২১. сто рублей - স্টো রুবলিয়ে। ১০০ রুবল (রাশিয়ার মুদ্রা, ১ রুবল = আড়াই টাকা,  নিখুঁত করে বললে ২ টাকা ৫৩ পয়সা)
২২. сто долларов -স্টো ডল্লারভ। ১০০ ডলার। 
২৩. Сою́з Сове́тских Социалисти́ческих Респу́блик - স-ইউয সোভেতসকিখ সোৎসিয়ালিসটিচেসকিখ রেসপুবলিক - Soyuz Sovetskikh Sotsialisticheskikh Respublik। এটা হলো রাশিয়ার পূর্বনাম যাকে ইংরেজিতে Union of Soviet Socialist Republics এবং সংক্ষেপে USSR  বলা হয়।

রুশ ভাষার বর্ণমালা ও উচ্চারণ

ভাষা শিখতে পারি আর না পারি, বিভিন্ন ভাষার সাথে প্রাথমিক পরিচয় থাকলে তো ক্ষতি নেই। তাই, আসুন জেনে নেই রুশ ভাষার (Russian language) বর্ণমালা ও উচ্চারণ। তবে, আগে কিছু তথ্য।
রাশিয়া, কাজাখস্তান,  কিরগিজিস্তান ও বেলারুশের সরকারী (Official) ভাষা হচ্ছে এই ভাষাটি। পাশাপাহি ইউক্রেন, মলডোভা, লাটভিয়া, লুথানিয়া ও এস্তোনিয়াতেও রুশ ভাষা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ভাষাভাষির দিক দিয়ে বাংলার পরেই এর অবস্থান, অর্থ্যাৎ আট নম্বরে। ১৫ কোটি মানুষ কথা বলেন এই ভাষায়।
রুশ ভাষার বর্ণমালার একটি সুবিধা হচ্ছে, উচ্চারণের সাথে বানানের মিল। ইংরেজিতে কিন্তু এ মিলটি নেই। আরেকটি সুবিধা হল, একটি ধ্বনির জন্য একটিই অক্ষর, একাধিক অক্ষরের একই উচ্চারণ বা একই অক্ষরের একাধিক উচ্চারণ। ইংরেজিতে কিন্তু এই সুবিধাও নেই।
রুশ বর্ণমালা Cyrillic alphabet নামে পরিচিত। মোট অক্ষর হচ্ছে ৩৩টি। এর মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ, ২০টি ব্যাঞ্জনবর্ণ এবং অপর দুটি বর্ণ ব্যবহৃত উচ্চারণের চিহ্ন হিসেবে। বর্ণানুক্রমানুসারে এগুলো হচ্ছে,
А, Б, В, Г, Д, Е, Ё, Ж, З, И, Й, К, Л, М, Н, О, П, Р, С, Т, У, Ф, Х, Ц, Ч, Ш, Щ, Ъ, Ы, Ь, Э, Ю, Я

এবার চলুন, জেনে নিই এগুলোর উচ্চারণ।
ইংরেজির মত বর্ণগুলোঃ 
А а - এর উচ্চারণ বাংলা 'আ' এর মত অথবা ইংরেজি 'father' শব্দের a এর মত। কখোনই cat শব্দের মত য-ফলা+আ-কার মত উচ্চারিত হয় না।
К к - বাংলা 'ক' এর মত।
М м - বাংলা 'ম' এর মত। 
O o - stress প্রয়োগে এর উচ্চারণ ও বা ও-কার এর মত হবে। কিন্তু স্ট্রেস বা শ্বাসাঘাত না থাকলে অধিকাংশ সময় 'আ' এর মত হয়। 
Т тবাংলা 'ট' এর মত। 
দেখতে ইংরেজির মত কিন্তু উচ্চারণে ভিন্ন বর্ণগুলোঃ
ইংরেজির সাথে গোল পাকিয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
В в - ইংরেজি V তথা বাংলা ভ এর মত।
Е е - ইংরেজি yes শব্দের ইয়ে (ye) এর মত।
Н н - বাংলা 'ন' এর মত।
Р р - বাংলা 'র' এর মতই, তবে একটু রোলিং হবে যেমন ইংরেজি run শব্দের মত।
С с - 'ইসলাম' শব্দের 'স' বা ইংরেজি See এর s এর মত।
У у - ইংরেজি "boot" বা "root" শব্দের 'oo' এর মত।
Х х - "hello" শব্দের 'h' বা বাংলা 'হ' এর মত উচ্চারণ। অনেক সময় কিছুটা 'খ' এর কাছাকাছি হয়ে যায়।
রুশ ভাষার অদ্ভুত বর্ণগুলোঃ
অদ্ভুত বললাম এই অর্থে যে, এগুলো ইংরেজি, বাংলা, আরবি বা আমাদের পরিচিত কোন ভাষায় চোখে পড়ে না। 
Б б - বাংলা 'ব' তথা ইংরেজি 'b' অক্ষরের মত।
Г г - বাংলা 'গ' এর মত।
Д д - বাংলা 'ড' এর মত।
З з - বাংলা 'য' এর বা আরো ভালো করে বললে ইংরেজি Zoo শব্দের z এর মত।
И и - 'ই' বা ই-কার এর মত। হাতে লিখলে অনেক সময় একে ইংরেজি u এর মত মনে হয়। 
Л л - বাংলা 'ল' এর মত। 
П п - ইংরেজি P তথা বাংলা 'প' এর মত।
Ф ф - ইংরেজি F বা বাংলা 'ফ' এর মত।
Э э - এ বা এ-কারের মত, ইংরেজি fed শব্দের e যেভাবে উচ্চারিত হয়। 
যে বর্ণগুলোর ইংরেজিতে কোন বিকল্প নেইঃ
ইংরেজিতে এগুলোর মত উচ্চারণ-প্রকাশক কোন অক্ষর বা থাকলেও উচ্চারণ ইংরেজিতেও আছে। তবে, কয়েকটির ক্ষেত্রে  বাংলায় বিকল্প অক্ষর আছে। 
Ю ю - 'ইউ' এর মত উচ্চারণ, যেমন ইংরেজি Universe এর u।
Я я - 'ইয়া' এর মত যেমন Yard।
Ё ё - 'ইয়ো' এর মত যেমন ইংরেজি Yonder।
Ж ж - "measure" বা "pleasure" শব্দের s এর মত। আর, বাংলায় প্রকৃতপক্ষে কী হবে আমি আপাতত নিশ্চিত না। তবে, এটা নিশ্চিত যে, 'য' বা 'ঝ' এর মত হবে। ইংরেজিত বলা হয় 'zh' এর মত।
Ц ц - বাংলা 'বৎস' শব্দের 'ৎস' এর মত বা ইংরেজিতে বললে its শব্দের 'ts'এর মত।
Ч ч - চ এর মত বা ইংরেজি Church শব্দের ch এর মত।
Ш ш - 'শ' এর মত তথা ইংরেজি 'Shut' এর 'sh' এর মত।
Щ щ - 'শ' এর মতই। তবে, জিহ্বা থাকবে উপরের তালুতে।
Ы ы - 'ই' বা ইংরেজি ill শব্দের i এর মত।
Й й - এই অক্ষর দিয়ে দ্বৈতস্বর (Diphthongs) গঠিত হয়। "oй" এর উচ্চারণ হবে 'অয়' বা boy শব্দের 'oy' এর মত। আবার, "aй" এর উচ্চারণ হবে 'আই' বা sigh শব্দের igh এর মত।
উচ্চারণগত চিহ্নঃ
এ রকম দুটি আছে যাদের নিজস্ব উচ্চারণ নেই। কিন্তু এদেরকেও বর্ণের সম্মান দেওয়া হয়। 
Ъ ъ - এই চিহ্ন আসলে দুইটি আলাদা শব্দাংশের (Syllable) মাঝে একটু স্বর বিরতি দিতে হবে। 
Ь ь - এই চিহ্নটি 'Soft Sign' বা মৃদু স্বর নির্দেশ করে। যেমন ইংরেজি Pew শব্দে p কিছুটা মৃদু।

সূত্রঃ
[১] Russian lessons
[2] উইকিপিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

যে পাখিরা উড়তে পারে না

এক সময় আকাশে পাখিদের উড়তে দেখে মানুষের হিংসা লাগত। ভাবত, ইস! আমিও যদি এভাবে উড়তে পারতাম। মানুষের সে আশা রাইট ভ্রাতৃদ্বয় ১৯০৩  সালে (১৭ ডিসেম্বর) পূরণ করলেও কিছু পাখিই এমন আছে যা তাদের স্বজাতিদের মত আকাশে ভেসে বেড়াতে সক্ষম নয়।
তবে, এর মানে এই নয় যে তারা খুব কষ্টে আছে। তাদের যারা আছে, তাতেই জীবন চলে যায় বেশ আনন্দে। কিন্তু তাদের পাখাও তো আছে। তবু কেন তারা উড়তে পারে না?
এর কারণ হচ্ছে দুটো। প্রথমত, এদের পাখার অস্থি ও Keel (পাখা নড়াচড়ার জন্য বিশেষ পেশি) এর দৈর্ঘ্য স্বল্প। অপর কারণ হচ্ছে তাদের ওজন। যেমন ধরুন, উটপাখির কথা। ৯ ফুট দীর্ঘ এবং ১০০ কেজি ওজন।
এখানে আমরা এমন কিছু পাখির সাথে পরিচিত হব, যারা উড়তে জানে না।
১.উটপাখিঃ 

একটু আগে বলা এই পাখিটাকে নিয়েই শুরু করি। এই পাখিটি এক দিকে যেমন বড়, তেমনি দ্রুগতিসম্পন্ন এবং শক্তিশালী। উটপাখির (Ostrich) আছে ২ মিটার দীর্ঘ তুলতুলে পাখা। কিন্তু এই পাখা তার ওজনকে ধরে রাখার মত যথেষ্ট মজবুত নয়। এর ওজন হয় ৬৩ থেকে ১৪৩ কেজি পর্যন্ত।
এরা চলতে পারে অনেক দ্রুত বেগে। বেগ ঘণ্টায় ৪৩ মাইল। আফ্রিকার অধিবাসী এই পাখিরাই সবচেয়ে বড় ডিম পাড়ে। ডিমের ব্যাস হয় ৫ ইঞ্চি এবং ওজন ৩ পাউন্ড।
২. এমু পাখিঃ

উটপাখির কাছাকাছি বৈশিষ্ট্যধারী এমু পাখির আবাস অস্ট্রেলিয়া। সবচেয়ে বড় এমু পাখির দৈর্ঘ্য পাওয়া গেছে ৫-৬ ফুট। অন্য দিকে, ওজন ১৮-৪৫ কেজি। উড়তে না পারলেও এরা দৌড়ানোর সময় পাখা ঝাপটায়। ঘণ্টায় ৩০ মাইল বেগে এরা দৌড়াতে পারে। এদের শক্ত ও তীক্ষ্ণ নখর (claws ) অন্যতম প্রতিরক্ষার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ক্যাসোয়ারিঃ 

বিশাল আকারের এই পাখিদের আবাস দক্ষিণপূর্ব এশিয়া। এরা উটপাখি ও এমু হতে একটু আলাদা। এই পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত সাউদার্ন Cassowary পাখিরা জীবিত পাখিদের মধ্যে লম্বায় ৩য় এবং ওজনে ২য় স্থানে আছে। প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট লম্বার এই পাখিরা ৬০ কেজি ওজনের পর্যন্ত হতে পারে। গভীর জঙ্গলের মধ্য দিয়েও এরা ঘণ্টায় ৩১ মাইল বেগে চলতে পারে। বিপদের বন্ধু হিসেবে এদের আছে ৫ ইঞ্চির নখর যাকে দেখতে ডেগারের মত লাগে।
৪. রিয়াঃ

এরাও এক ধরণের উটপাখি। প্রায় সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতার Rhea (রিয়া) পাখিদের ওজন ৪০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। প্রায় ৮ ফুট দীর্ঘ পাখার মালিক হয়েও বেচারারা মাটি ছেড়ে উপরে যেতে পারে না। আমেরিকা মহাদেশে এই পাখিরাই সবচেয়ে বড়।
৫. কিউই পাখিঃ

আপনারা জানেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলকে অনেক সময় কিউই বলে ডাকা হয়। চুলের মত দেখতে পালকের আড়ালে লুকানো থাকে এদের নামমাত্র (vestigial) পাখা। অর্থ্যাৎ এদের পাখাই এত ছোট্ট যে, উড়ার কথা চিন্তা করাও অনুচিত। প্রায় সাড়ে ৩ কেজির কিউই পাখি (Kiwi) ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এদের ডিমের ওজন হয় প্রায় ১ পাউন্ড। শরীরের মাপের তুলনায় জীবিত প্রাণিদের মধ্যে এর ডিমই সবচেয়ে বড়।
৬.  পেনগুইনঃ

এই পাখিটা নিশ্চয়ই সবার প্রিয়, আপনাদেরও। একে দেখতে কেমন কর্মতৎপর মনে হয়। জলজ এই পাখির বাস এন্টার্কটিকায়। পেনগুইনদের (Penguin) মধ্যে প্রজাতি আছে ১৮ টি, আর এর একটিও উড়তে সক্ষম নয়। সবচেয়ে বড় পেনগুইনরা  লম্বায় ৩ফুট ও ওজনে ৩৫ কেজি হতে পারে। মজার কথা হল, এদের পাখা হাঁটার সময়ও কোন কাজে আসে না। কিন্তু, এদের সাঁতার কাটার যোগ্যতা অন্য সব অদক্ষতা মুছে দিয়েছে। এরা আবার দাঁড়াতে পারে সোজা হয়ে, একেবারে মানুষের মত যা আর কোন প্রাণিই পারে না।
সূত্রঃ
[১] টপ লিস্টস
[২] উইকিপিডিয়া

টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের ব্যক্তিগত রেকর্ডগুলো


এখন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কীর্তিমান ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারাই টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহের রেকর্ডটি ঝুলিতে পুরে রেখেছেন। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪০০ রান করে তিনি অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যান ম্যাথু হেইডেনের ৩৮০ রানের রেকর্ড ভেঙ্গে দেন। তৃতীয় স্থানেও আছেন তিনিই। ১৯৯৪ সালে থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ৩৭৫ রান নিয়ে তিনিই ছিলেন শীর্ষে।  একই প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই তিনি ঐ সংগ্রহ করেছিলেন যা ২০০৩ সালে হেইডেন ভেঙ্গে দেন।
৩৭৪ ও অপরাজিত ৩৬৫ নিয়ে তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছেন যথাক্রমে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনে ও ব্রায়ান লারার স্বদেশী কিংবদন্তি ক্রিকেটার গ্যারি সোবার্স।
উপমহাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ৩৩৭ রান নিয়ে সবার উপরে আছেন পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ। এছাড়াও ইনজামাম উল হক ও ভিরেন্দর শেহওয়াগের যথাক্রমে ৩২৯ ও ৩১৯ রানে রেকর্ড আছে। সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান ডন ব্রাডম্যানের ৩৩৪ রানের একটি রেকর্ড থাকলেও শচীন টেন্ডুলকারের কিন্তু ত্রিশতকের কোন ইনিংস নেই।
নিচে টেস্টের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসগুলো ছক আকারে দেওয়া হল।
ব্যাটসম্যান
রান
দল
বিপক্ষ
সন
ব্রায়ান লারা
৪০০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ইংল্যান্ড
২০০৪
ম্যাথু হেইডেন
৩৮০
অস্ট্রেলিয়া
জিম্বাবুয়ে
২০০৩
ব্রায়ান লারা
৩৭৫*
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ইংল্যান্ড
১৯৯৪
মাহেলা জয়াবর্ধনে
৩৭৪
শ্রীলংকা
দঃ আফ্রিকা
২০০৬
গ্যারি সোবার্স
৩৬৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
পাকিস্তান
১৯৫৮
এল হাটন
৩৬৪
ইংল্যান্ড
অস্ট্রেলিয়া
১৯৩৮
সনাথ জয়সুরিয়া
৩৪০
শ্রীলংকা
ভারত
১৯৯৭
হানিফ মোহাম্মদ
৩৩৭
পাকিস্তান
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৯৫৮
ওয়ালি হ্যামন্ড
৩৩৬*
ইংল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড
১৯৩৩
মার্ক টেইলর
৩৩৪*
অস্ট্রেলিয়া
পাকিস্তান
১৯৯৮

সূত্রঃ ইএসপিএন ক্রিকইনফো

সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

এপিজে আব্দুল কালামের কিছু উক্তি

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম। তাঁর অনবদ্য কিছু উক্তিঃ
১। তোমার প্রথম বিজয়ের পর বিশ্রাম নিয়ো না, কারণ পরেরটায় ব্যর্থ হলে মানুষ বলবে আগেরটা ছিল দূর্ঘটনা।
২। সব পাখি বৃষ্টির সময় আশ্রয় খোঁজে, আর ঈগল মেঘের উপরে উঠে বৃষ্টি এড়িয়ে যায়।
৩। সফলতার বাসনা যদি যথেষ্ট শক্তিশালী হয়, তবে, ব্যর্থতা কখনো গ্রাস করবে না।
৪। সফলতা উপভোগ করতে হলে জীবনে কষ্ট করা দরকার।
৫। সূর্যের মত আলো দিতে চাইলে সূর্যের মত জ্বলতে হবে।
৬। কাউকে পরাজিত করা সহজ, কিন্তু জয় করা কঠিন।
৭। আমাদের সবার সমান মেধা নেই, কিন্তু মেধা অর্জন করার সমান সুযোগ আছে।
৮। জীবনে যত উত্থান পতনই আসুক না কেন, চিন্তা-গবেষণাকেই মূল পুঁজি বানাতে হবে।

আবুল পাকির জয়নুল আবেদিন আবদুল কালাম ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং সেদেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। তিনিই ভারতে প্রথম পারমানবিক বোমা বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ করেন। তার জন্ম ১৯৩১ সালে, ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরমে। তিনি ছিলেন চেন্নাইয়ের আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকনোলজি অ্যান্ড সোসাইটাল ট্রান্সফরমেশনের অধ্যাপক। তিনি অগ্নি, পৃথ্বী, আকাশ, ত্রিশুল ও নাগ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করেন যা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির দিক থেকে ভারতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করে।
তিনি ভারতের মিসাইল ম্যান নামে খ্যাত।
সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটিগুলো


এ বি ডিভিলিয়ায়ররস
গত ১৮ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স ১৬ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে সনাথ জয়সুরিয়ার ১৭ বলে ফিফটির রেকর্ড ভাঙ্গেন। এখানে দ্রুতম পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরির তথ্য দেওয়া হল। উল্লেখ্য, প্রথম ৬ টি ফিফটির ৩টিই পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদির দখলে।
নাম
রান
বল
ছক্কা
চার
বিপক্ষ
ভেন্যু
সন
এ বি ডিভিলিয়ায়ররস
১৪৯
১৬
১৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
জোহানেসবার্গ
২০১৫
সনাথ জয়সুরিয়া
৭৬
১৭
পাকিস্তান
সিংগাপুর
১৯৯৬
এসপি ও ডনেল
৭৪
১৮
শ্রীলংকা
শারজাহ
১৯৯০
শহীদ আফ্রিদি
১০২
১৮
১১
শ্রীলংকা
নাইরোবি
১৯৯৬
শহীদ আফ্রিদি
৫৫*
১৮
নেদারল্যান্ড
কলোম্বো
২০০২

সূত্রঃ ইএসপিএন ক্রিকইনফো

রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

গুগোলের লাভ বাড়ল ৩০ ভাগ


গুগোল এবার লাভ করেছে ৪৭৬ কোটি ডলার যা আগের বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি । তবে অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা। আমেরিকার অন্য প্রতিষ্ঠানের মতই তাকেও পড়ত ডলারের দরপতনের মুখে। গুগোল বলেছে, ফরেইন এক্সেঞ্জ হার যদি অনুকূলে থাকতো, তবে তাদের লাভ হতো ৫৪১ ডলার বেশি। বিবিসি
মোবাইল অ্যাডের মাধ্যমে গুগোলের আয় কমেছে ৩ শতাংশ। অথচ বর্তমানে বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই মোবাইলের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে, গুগোলের বিনিয়োগকারীরা কিছুটা চিন্তিত হচ্ছেন।