বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠাসমূহ

sports লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
sports লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০১৫

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান

 [১০ মার্চ, ২০১৫ পর্যন্ত]
মোট ম্যাচঃ ২৯৪
বিজয়ঃ ৮৫ ম্যাচে
পরাজয়ঃ ২০৫ ম্যাচে
ফলাফল নেই; ৪ ম্যাচ
সর্বোচ্চ স্কোরঃ ৩২৬/৩,  বিপক্ষ পাকিস্তান , ঢাকা-২০১৪
সর্বনিম্ন স্কোরঃ ৫৮, বিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারত
বিপক্ষ দলের সর্বোচ্চ স্কোরঃ ৩৯১/৪, ইংল্যান্ড, ২০০৫
বিপক্ষ দলের সর্বনিম্ন স্কোরঃ ৪৪, জিম্বাবুয়ে , ২০০৯ (চট্টগ্রাম)
সর্বোচ্চ রানের ব্যাবধানে বিজয়ঃ ১৬০ রানে। ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে
সবচেয়ে বেশি উইকেটে বিজয়ঃ ৯ উইকেটে, ২০০৬সালে কেনিয়ার বিপক্ষে 
সবচেয়ে কম রানে জয়ঃ ৩ রানে, ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে
সবচেয়ে কম উইকেটে জয়ঃ ১ উইকেটে। ২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে
সবচেয়ে বেশি ম্যাচঃ মোহাম্মদ আশরাফুল (১৭৫ ম্যাচ)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অধিনায়কত্বঃ হাবিবুল বাশার সুমন (৬৯)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচে উইকেট কিপারঃ মুশফিকুর রহিম, ১৪০+ ম্যাচে
সর্বোচ্চ ব্যক্তিগইত স্কোরঃ ১৫৪, তামিম ইকবাল
সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরিঃ সাকিব আল হাসান (৬টি)
দ্রুততম সেঞ্চুরিঃ ৬৩ বলে (সাকিব আল হাসান)
দ্রুততম ফিফটিঃ ২১ বলে (মোহাম্মদ আশরাফুল)
সবচেয়ে বেশি উইকেটঃ ২০৭ (আব্দুর রাজ্জাক)
বেস্ট অভিষেক বোলিংঃ ৫/২৮ (তাসকিন, বিপক্ষ ভারত)
সবচেয়ে বেশি ক্যাচঃ মাশরাফি মর্তুজা (৪৩ ক্যাচ)
উইকেট কিপার হিসেবে বেশি ক্যাচঃ মুশফিকুর রহিম ( ১০২)
সবচেয়ে বেশি স্ট্যাম্পিংঃ মুশফিকুর রহিম (৩৬ বার)
হ্যাট্রিকঃ শাহাদাত হোসাইন (২০০৬, জিম্বাবুয়ে), আব্দুর রাজ্জাক (২০১০, জিম্বাবুয়ে), রুবেল হোসেন (২০১৩, ওয়েস্ট ইন্ডিজ), তাইজুল ইসলাম (২০১৪, জিম্বাবুয়ে)

শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

টেস্ট ক্রিকেটে সর্বনিম্ন রানের দলীয় স্কোর

এখানে আমরা দেখবো, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে কোন দলগুলো এক ইনিংসে সবচেয়ে কম রানের মালিক । সবচেয়ে কম রানের রেকর্ডটির মালিক মাত্র ২৬ রান নিয়ে নিউজিল্যান্ড। ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ড তাদেরকে ২৬ রানে বিদায় করে দিয়ে করা রেকর্ডটি এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হচ্ছে, শীর্ষ দশ কম রানের মধ্যে ৫টিই দক্ষিণ আফ্রিকার দখলে। আরেকটি লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হচ্ছে দশ শীর্ষ রেকর্ডের ৮টি ক্ষেত্রেই বিপক্ষ দল ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষকে অল্প রানে বেঁধে ফেলার ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের ইতিহাস বেশ ভালো।
উপমহাদেশের দলগুলোর মধ্যে একমাত্র ভারতের সর্বনিম্ন ১০টি ইনিংসের একটি আছে। 
 সারণিঃ টেস্টে এক ইনিংসে কম রানের দলীয় ইনিংসঃ
দল রান বিপক্ষ সন
নিউজিল্যান্ড ২৬ ইংল্যান্ড ১৯৫৫
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০ ইংল্যান্ড ১৮৯৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০ ইংল্যান্ড ১৯২৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫ ইংল্যান্ড ১৮৯৯
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৬ অস্ট্রেলিয়া ১৯৩২
অস্ট্রেলিয়া ৩৬ ইংল্যান্ড ১৯০২
নিউজিল্যান্ড ৪২ অস্ট্রেলিয়া ১৯৪৬
অস্ট্রেলিয়া ৪২ ইংল্যান্ড ১৯৮৮
ভারত ৪২ ইংল্যান্ড ১৯৭৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩ ইংল্যান্ড ১৮৮৯

সূত্রঃ সর্বনিম্ন রানের সবগুলো স্কোর দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের ব্যক্তিগত রেকর্ডগুলো


এখন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কীর্তিমান ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারাই টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহের রেকর্ডটি ঝুলিতে পুরে রেখেছেন। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪০০ রান করে তিনি অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যান ম্যাথু হেইডেনের ৩৮০ রানের রেকর্ড ভেঙ্গে দেন। তৃতীয় স্থানেও আছেন তিনিই। ১৯৯৪ সালে থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ৩৭৫ রান নিয়ে তিনিই ছিলেন শীর্ষে।  একই প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই তিনি ঐ সংগ্রহ করেছিলেন যা ২০০৩ সালে হেইডেন ভেঙ্গে দেন।
৩৭৪ ও অপরাজিত ৩৬৫ নিয়ে তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছেন যথাক্রমে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনে ও ব্রায়ান লারার স্বদেশী কিংবদন্তি ক্রিকেটার গ্যারি সোবার্স।
উপমহাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ৩৩৭ রান নিয়ে সবার উপরে আছেন পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ। এছাড়াও ইনজামাম উল হক ও ভিরেন্দর শেহওয়াগের যথাক্রমে ৩২৯ ও ৩১৯ রানে রেকর্ড আছে। সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান ডন ব্রাডম্যানের ৩৩৪ রানের একটি রেকর্ড থাকলেও শচীন টেন্ডুলকারের কিন্তু ত্রিশতকের কোন ইনিংস নেই।
নিচে টেস্টের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসগুলো ছক আকারে দেওয়া হল।
ব্যাটসম্যান
রান
দল
বিপক্ষ
সন
ব্রায়ান লারা
৪০০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ইংল্যান্ড
২০০৪
ম্যাথু হেইডেন
৩৮০
অস্ট্রেলিয়া
জিম্বাবুয়ে
২০০৩
ব্রায়ান লারা
৩৭৫*
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ইংল্যান্ড
১৯৯৪
মাহেলা জয়াবর্ধনে
৩৭৪
শ্রীলংকা
দঃ আফ্রিকা
২০০৬
গ্যারি সোবার্স
৩৬৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
পাকিস্তান
১৯৫৮
এল হাটন
৩৬৪
ইংল্যান্ড
অস্ট্রেলিয়া
১৯৩৮
সনাথ জয়সুরিয়া
৩৪০
শ্রীলংকা
ভারত
১৯৯৭
হানিফ মোহাম্মদ
৩৩৭
পাকিস্তান
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৯৫৮
ওয়ালি হ্যামন্ড
৩৩৬*
ইংল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড
১৯৩৩
মার্ক টেইলর
৩৩৪*
অস্ট্রেলিয়া
পাকিস্তান
১৯৯৮

সূত্রঃ ইএসপিএন ক্রিকইনফো

সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটিগুলো


এ বি ডিভিলিয়ায়ররস
গত ১৮ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স ১৬ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে সনাথ জয়সুরিয়ার ১৭ বলে ফিফটির রেকর্ড ভাঙ্গেন। এখানে দ্রুতম পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরির তথ্য দেওয়া হল। উল্লেখ্য, প্রথম ৬ টি ফিফটির ৩টিই পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদির দখলে।
নাম
রান
বল
ছক্কা
চার
বিপক্ষ
ভেন্যু
সন
এ বি ডিভিলিয়ায়ররস
১৪৯
১৬
১৬
৯
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
জোহানেসবার্গ
২০১৫
সনাথ জয়সুরিয়া
৭৬
১৭
৫
৮
পাকিস্তান
সিংগাপুর
১৯৯৬
এসপি ও ডনেল
৭৪
১৮
৬
৪
শ্রীলংকা
শারজাহ
১৯৯০
শহীদ আফ্রিদি
১০২
১৮
১১
৬
শ্রীলংকা
নাইরোবি
১৯৯৬
শহীদ আফ্রিদি
৫৫*
১৮
৬
৪
নেদারল্যান্ড
কলোম্বো
২০০২

সূত্রঃ ইএসপিএন ক্রিকইনফো

সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

২০১২ এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিজয় (ভিডিও)

ভারতঃ ২৯০। 
বাংলাদেশঃ ২৯৩/৫। তামিম ৭০, জহরুল ৫৩, নাসির ৫৪, সাকিব ৪৯, মুশফিক ৪৬।
ফলাফলঃ বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়ী।

শনিবার, ২১ জুন, ২০১৪

ফুটবল মাঠের মাপঝোঁক

খেলা দেখি আর না দেখি, পছন্দ করি আর না করি, সাপোর্টার যে দলেরই হই না কেন, সাড়ে তিনশো কোটি ভক্তের মন কেড়ে নেওয়া বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ক্রীড়া সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত। ২০০ এর অধিক দেশের ২৫ কোটি মানুষের পেশা ফুটবল খেলা।

ফুটবল বলের তথ্যঃ

সাইজ-৫ সকার বলের ব্যাস হচ্ছে ২২ সে.মি. বা ৮ দশমিক ৬৫ ইঞ্চি। নিয়ম হচ্ছে এই মাপের বলের পরিসীমা হতে হবে ৬৮-৭০ সেমি এর মধ্যে। ফলে, ভাগ করে ব্যাস পাওয়া যায় প্রায় ২২ সে.মি.। 
এবার আসি মাঠের খবরাখবরে। বর্ণনার চেয়ে ছবি দেখে ভালো বোঝা যাবে। নিচের ছবিটি বড় করে দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

মাঠটি অবশ্যই আয়তাকার। বৃহত্তর বাহুগুলোকে বলে স্পর্শরেখা (টাচলাইন) আর অপর বিপরীত বাহুদ্বয়কে বলে গোল রেখা। উভউপাশেই গোল লাইনদ্বয় ৪৫ থেকে ৯০ মিটারের মধ্যে থাকতে হবে( ৫০-১০০ গজ)। দুই স্পর্শরেখার দুরত্ব হতে হবে ৯০ থেকে ১২০ মিটারের মধ্যে (১০০-১৩০ গজ)। 
তবে আনর্জাতিক ম্যাচে গোল লাইন ৬৪ থেকে ৭৫ মিটার ( ৭০-৮০গজ) এবং টাচলাইন ১০০ থেকে ১১০ মিটার ( ১১০ থেকে ১২০ গজ) এর মাঝে থাকতে হবে। 

গোলপোস্টঃ
গোলপোস্ট দৈর্ঘ্যে ৮ গজ বা ৭.৩২ মিটার এবং উচ্চতায় ৮ ফুট বা ২.৪৪ মিটার হবে। 
গোল পোস্টের ১১ মিটার বা ১২ গজ দুরত্ব থেকে পেনাল্টি কিক করা হয়। 

অন্যান্য হিসাবঃ
মাঠের একেবারে মাঝে যেই বৃত্ত্ব আছে তার ব্যাসার্ধ কেন্দ্রীয় বিন্দু হতে ৯.১৫ মিটার।  কর্নারের সময় বিপক্ষ দলের খেলোয়ারকে ৯.১৫ মিটার বা দশ গজ দূরে থাকতে হবে। 


রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১২

টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডগুলো

টেস্ট ক্রিকেট মানেই রানের পাহাড়। ওডিআই ম্যাচে যেখানে দুই ইনিংস মিলিয়ে গড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ রান হয়, সেখানে টেস্টে এক ইনিংসেই ৬০০ রানের বেশি হয়ে যায় অহরহ।

৬০০ তো খুবই কম। টেস্টে এ পর্যন্ত ৮০০ এর বেশিই রান হয়েছে তিন বার। ৭০০ এর বেশি হয়েছে ১৮ বার। তবে, সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি ধরে রেখেছে শ্রীলঙ্কা। তাদের সংগৃহীত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি হল ৯৫২ রানের। ১৯৯৭ সালে গড়া এই রেকর্ডে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। ঐ ম্যাচেই সনাথ জয়সুরিয়া ৩৪০ রানের ব্যক্তিগত ইনিংস খেলেন।
টেস্টে এক ইনিংসে ২য় সর্বোচ্চ সংগ্রহটিও ৯০০ পেরিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে করা ইংল্যান্ডের এই সংগ্রহ ছিল ৯০৩ রানের। এটা অবশ্য বহু পুরানো কথা, ১৯৩৮ সালের ঘটনা।ঐ ম্যাচে স্যার লিওনার্ড হাটন ৩৬৪ রানের ইনিংস খেলেন।
৩য় রেকর্ডটি আরও পুরানো। এটিরও ভাগীদার ইংরেজরা। তবে, এটি নয়'শ এর কম, ৮৪৯। এই ম্যাচে ব্যক্তিগত ত্রিশতকের নজীর আছে। এই ম্যাচে যার মালিক অ্যান্ডি স্যান্ডহাম।
সারণি-
টেস্টে সর্বোচ্চ দশটি ইনিংসঃ
দল রান প্রতিপক্ষ সন
শ্রীলংকা ৯৫২/৬ ডি ভারত ১৯৯৭
ইংল্যান্ড ৯০৩/৭ ডি অস্ট্রেলিয়া ১৯৩৮
ইংল্যান্ড ৮৪৯ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৩০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৯০/৩ ডি পাকিস্তান ১৯৫৮
পাকিস্তান ৮৬৫/৬ ডি শ্রীলংকা ২০০৯
শ্রীলংকা ৭৬০/৭ ডি ভারত ২০০৯
অস্ট্রেলিয়া ৭৫৮/৮ ডি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৯৫৫
শ্রীলংকা ৭৫৬/৫ ডি দঃ আফ্রিকা ২০০৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৫১/৫ ডি ইংল্যান্ড ২০০৪
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭৪৯/৯ ডি ইংল্যান্ড ২০০৯
সূত্রঃ
ইএসপিএন ক্রিকইনফো