বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠাসমূহ

general-knowledge লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
general-knowledge লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বাংলা বানান সূত্র

সৌমিত্র শেখরের বানান সূত্রঃ
দেশ, ভাষা, জাতির নামে কার হয় 'ই'
অপ্রাণী, ইতরপ্রাণী তা-ও জেনেছি,
উভয় ক্ষেত্রে ই-কার নিশ্চিত জানি
সংস্কৃতের স্ত্রী ঈ-কার মানি। 
বিদেশি শব্দে 'ষ' হবে না কখনো
তৎসম ভিন্ন শব্দে 'ন' হয় জেনো,
রেফ থাকলে বর্ণে দ্বিত্ব না-হয়
অন্তে বিসর্গ বর্জন জানিবে নিশ্চয়।
জগৎ-বাচক-বিদ্যা-ত্ব-তা-নী-ণী হলে
শব্দান্তের 'ঈ' ই-কার হয় সৌমিত্র বলে। 

ব্যাখ্যাঃ
১. যে-কোনো দেশ, ভাষা ও জাতির নাম লিখতে ই/ঈ-কার দেয়ার প্রশ্ন এলে তাতে নিশ্চিন্তে ই-কার দেয়া যাবে। যেমনঃ 
দেশঃ গ্রিস, জার্মানি, চিন, ইতালি, হাঙ্গেরি ইত্যাদি। ব্যতিক্রমঃ মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা। সম্ভবত কারণ এগুলো ইংরেজি নামের প্রতিবর্ণায়ন নয়। 
ভাষাঃ হিন্দি, সাঁওতালি, আরবি, পারসি ইত্যাদি। 
জাতিঃ বাঙালি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি। 
২.  অপ্রাণিবাচক শব্দে ও ইতরপ্রাণিবাচক অতৎসম শব্দের শেষে ই/ঈ-কারের মধ্যে ই-কার হবে। যেমনঃ 
অপ্রাণিবাচক শব্দঃ বাড়ি, গাড়ি, চাবি, শাড়ি ইত্যাদি। 
ইতরপ্রাণিবাচক শব্দঃ পাখি, হাতি, চড়ুই, মুরগি ইত্যাদি। 
৩. সংস্কৃত বা তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে সর্বদা ঈ-কার হবে। যেমনঃ জননী, স্ত্রী, নারী, সাধ্বী। 
৪। বিদেশি শব্দের বানান বাংলায় লেখার সময় কখনো 'ষ' লেখা যাবে না। যেমনঃ ষ্টেশন হবে, হবে স্টেশন। এরূপ স্টুডিও, ফটোস্ট্যাট ইত্যাদি। 
৫. তৎসম বা সংস্কৃত কতিপয় শব্দ ছাড়া অন্য সব শব্দের বানানে 'ণ' হবে না, হবে 'ন'। যেমনঃ কর্ণার হবে না, হবে কর্নার। কর্ণেল হবে না, হবে কর্নেল। বামুণ হবে না, হবে বামুন। 
৬. বানানে যে বর্ণের উপর রেফ থাকবে, সেই বর্ণে দ্বিত্ব হবে না। যেমনঃ কার্য্যালয় হবে না, হবে কার্যালয়। নির্দ্দিষ্ট হবে না, হবে নির্দিষ্ট। 
৭. বিস্ময়সূচক অব্যয় (যেমনঃ বাঃ/ ছিঃ/ উঃ ইত্যাদি) ছাড়া বাংলা শব্দের শেষে বিসর্গ রাখা যাবে না। যেমনঃ প্রায়শঃ/ বিশেষতঃ/ কার্যতঃ/ প্রথমতঃ ইত্যাদি লেখা যাবে না, লিখতে হবে প্রায়শ/ বিশেষত/ প্রথমত ইত্যাদি। 
৮. কোনো শব্দের শেষে ঈ-কার থাকে, সেই শব্দের সঙ্গে জগৎ, বাচক, বিদ্যা, সভা, ত্ব, তা, নী, ণী, পরিষদ, তত্ত্ব ইত্যাদি যুক্ত হয়ে যদি যদি নতুন শব্দ গঠন করে, তবে পূর্ববর্তী শব্দের ঈ-কার নবগঠিত শব্দে সাধারণত ই-কারে পরিণত হয়। 
যেমনঃ
প্রাণী+বিদ্যা= প্রাণিবিদ্যা, প্রাণিজগৎ, মন্ত্রিসভা, প্রাণিবাচক, মন্ত্রিপরিষদ, কৃতিত্ব, স্থায়িত্ব, দায়িত্ব, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সহমর্মিতা, বাগ্মিতা, সঙ্গিনী, তপস্বিনী, অধিকারিণী, প্রতিহারিণী, আদরিণী ইত্যাদি। 
৯। শব্দে উর্ধ্বকমা লেখা যাবে না। 
যেমনঃ হ'ল → হল, দু'টি → দুটি, তা'র → তার ইত্যাদি। 
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর (ঢকা বিশ্ববিদ্যালয়) 

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

ভাষার বৈচিত্র্য ও পরিসংখ্যান


বিশ্বের জীবন্ত ভাষার সংখ্যাঃ ৬৯১২
প্রায় বিলুপ্ত ভাষার সংখ্যাঃ ৫১৬
সবচেয়ে বেশি স্থানীয় কথক ( native speaker ) আছেঃ মান্দারিন ভাষার 
সবচেয়ে বেশি বিদেশী কথকের (non-native speakers) দিক দিয়ে শীর্ষেঃ ইংরেজি ভাষা। প্রায় ২৫ থেকে ৩৫ কোটি লোক ২য় ভাষা হিসেবে এই ভাষায় কথা বলে। 
সবচেয়ে বেশি ভাষার দেশঃ পাপুয়া নিউগিনি। এতে ৮২০ খানা জীবন্ত ভাষার ছাড়াছড়ি রয়েছে। 
ভাষার উদ্ভবঃ ১ লক্ষ খৃষ্টপূর্বে। 
প্রথম লিখিত ভাষাঃ সুমেরীয় (Sumerian) বা মিশরীয় (Egyptian)। ৩২০০ খৃষ্টপূর্বে। 
এখনও টিকে আছে এমন প্রাচীনতম ভাষাঃ চাইনিজ বা গ্রিক (১৫০০ খৃষ্টপূর্ব থেকে)। 
সবচেয়ে বেশি শব্দার্থঃ ইংরেজি ভাষায়। প্রায় আড়াই লাখ স্বতন্ত্র শব্দ। 
সবচেয়ে কম শব্দার্থঃ টাকি টাকি বা স্রনম ভাষা। এতে মাত্র ৩৪অটি শব্দ আছে। সুরিনামের ১ লাখ বিশ হাজার মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন। 
সবচেয়ে বেশি অক্ষরঃ খেমর (Khmer)। এই ভাষায় অক্ষর আছে ৭২ টি। কম্বোডিয়ার সরকারী এই ভাষায় ১ কোটি বিশ লাখ লোক কথা বলেন। 
সবচেয়ে কম অক্ষরঃ রটোকাস (Rotokas)। এতে আছে ১২টি বর্ণ। পাপুয়া নিউগিনির ৪৩০০ মানুষের মুখে এই ভাষা উচ্চারিত হয়। 
সবচেয়ে কম ব্যতিক্রমী (Irregular) ক্রিয়াঃ এসপার‍্যান্তো (Esperanto )। এতে একটিও ব্যতিক্রমী ক্রিয়া নেই। সবগুলো ক্রিয়া নিয়ম মেনে চলে। 
সবচেয়ে বেশি অস্কার জিতেছেঃ ইতালিয়ান ভাষা। 
ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে বড় শব্দঃ pneumonoultramicroscopicsilicovolcanoconiosis । অযফোর্ড ডিকশনারিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে বড় এই শব্দটি দ্বারা ফুসফুসের একটি রোগকে বোঝানো হয়। একে সংক্ষেপে silicosis ও বলে।
http://www.vistawide.com/languages/language_statistics.htm

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

যে পাখিরা উড়তে পারে না

এক সময় আকাশে পাখিদের উড়তে দেখে মানুষের হিংসা লাগত। ভাবত, ইস! আমিও যদি এভাবে উড়তে পারতাম। মানুষের সে আশা রাইট ভ্রাতৃদ্বয় ১৯০৩  সালে (১৭ ডিসেম্বর) পূরণ করলেও কিছু পাখিই এমন আছে যা তাদের স্বজাতিদের মত আকাশে ভেসে বেড়াতে সক্ষম নয়।
তবে, এর মানে এই নয় যে তারা খুব কষ্টে আছে। তাদের যারা আছে, তাতেই জীবন চলে যায় বেশ আনন্দে। কিন্তু তাদের পাখাও তো আছে। তবু কেন তারা উড়তে পারে না?
এর কারণ হচ্ছে দুটো। প্রথমত, এদের পাখার অস্থি ও Keel (পাখা নড়াচড়ার জন্য বিশেষ পেশি) এর দৈর্ঘ্য স্বল্প। অপর কারণ হচ্ছে তাদের ওজন। যেমন ধরুন, উটপাখির কথা। ৯ ফুট দীর্ঘ এবং ১০০ কেজি ওজন।
এখানে আমরা এমন কিছু পাখির সাথে পরিচিত হব, যারা উড়তে জানে না।
১.উটপাখিঃ 

একটু আগে বলা এই পাখিটাকে নিয়েই শুরু করি। এই পাখিটি এক দিকে যেমন বড়, তেমনি দ্রুগতিসম্পন্ন এবং শক্তিশালী। উটপাখির (Ostrich) আছে ২ মিটার দীর্ঘ তুলতুলে পাখা। কিন্তু এই পাখা তার ওজনকে ধরে রাখার মত যথেষ্ট মজবুত নয়। এর ওজন হয় ৬৩ থেকে ১৪৩ কেজি পর্যন্ত।
এরা চলতে পারে অনেক দ্রুত বেগে। বেগ ঘণ্টায় ৪৩ মাইল। আফ্রিকার অধিবাসী এই পাখিরাই সবচেয়ে বড় ডিম পাড়ে। ডিমের ব্যাস হয় ৫ ইঞ্চি এবং ওজন ৩ পাউন্ড।
২. এমু পাখিঃ

উটপাখির কাছাকাছি বৈশিষ্ট্যধারী এমু পাখির আবাস অস্ট্রেলিয়া। সবচেয়ে বড় এমু পাখির দৈর্ঘ্য পাওয়া গেছে ৫-৬ ফুট। অন্য দিকে, ওজন ১৮-৪৫ কেজি। উড়তে না পারলেও এরা দৌড়ানোর সময় পাখা ঝাপটায়। ঘণ্টায় ৩০ মাইল বেগে এরা দৌড়াতে পারে। এদের শক্ত ও তীক্ষ্ণ নখর (claws ) অন্যতম প্রতিরক্ষার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ক্যাসোয়ারিঃ 

বিশাল আকারের এই পাখিদের আবাস দক্ষিণপূর্ব এশিয়া। এরা উটপাখি ও এমু হতে একটু আলাদা। এই পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত সাউদার্ন Cassowary পাখিরা জীবিত পাখিদের মধ্যে লম্বায় ৩য় এবং ওজনে ২য় স্থানে আছে। প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট লম্বার এই পাখিরা ৬০ কেজি ওজনের পর্যন্ত হতে পারে। গভীর জঙ্গলের মধ্য দিয়েও এরা ঘণ্টায় ৩১ মাইল বেগে চলতে পারে। বিপদের বন্ধু হিসেবে এদের আছে ৫ ইঞ্চির নখর যাকে দেখতে ডেগারের মত লাগে।
৪. রিয়াঃ

এরাও এক ধরণের উটপাখি। প্রায় সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতার Rhea (রিয়া) পাখিদের ওজন ৪০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। প্রায় ৮ ফুট দীর্ঘ পাখার মালিক হয়েও বেচারারা মাটি ছেড়ে উপরে যেতে পারে না। আমেরিকা মহাদেশে এই পাখিরাই সবচেয়ে বড়।
৫. কিউই পাখিঃ

আপনারা জানেন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলকে অনেক সময় কিউই বলে ডাকা হয়। চুলের মত দেখতে পালকের আড়ালে লুকানো থাকে এদের নামমাত্র (vestigial) পাখা। অর্থ্যাৎ এদের পাখাই এত ছোট্ট যে, উড়ার কথা চিন্তা করাও অনুচিত। প্রায় সাড়ে ৩ কেজির কিউই পাখি (Kiwi) ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এদের ডিমের ওজন হয় প্রায় ১ পাউন্ড। শরীরের মাপের তুলনায় জীবিত প্রাণিদের মধ্যে এর ডিমই সবচেয়ে বড়।
৬.  পেনগুইনঃ

এই পাখিটা নিশ্চয়ই সবার প্রিয়, আপনাদেরও। একে দেখতে কেমন কর্মতৎপর মনে হয়। জলজ এই পাখির বাস এন্টার্কটিকায়। পেনগুইনদের (Penguin) মধ্যে প্রজাতি আছে ১৮ টি, আর এর একটিও উড়তে সক্ষম নয়। সবচেয়ে বড় পেনগুইনরা  লম্বায় ৩ফুট ও ওজনে ৩৫ কেজি হতে পারে। মজার কথা হল, এদের পাখা হাঁটার সময়ও কোন কাজে আসে না। কিন্তু, এদের সাঁতার কাটার যোগ্যতা অন্য সব অদক্ষতা মুছে দিয়েছে। এরা আবার দাঁড়াতে পারে সোজা হয়ে, একেবারে মানুষের মত যা আর কোন প্রাণিই পারে না।
সূত্রঃ
[১] টপ লিস্টস
[২] উইকিপিডিয়া

বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকা (২০১৪)

 এই তালিকা সতত পরিবর্তনশীল। সাধারণত আমেরিকান বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস প্রতি বছর মার্চ মাসে বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকা প্রকাশ করে।বছরের শুরুতে বিল গেটস ১ নম্বরে থাকলেও এখন স্লিম উঠে গেছেন শীর্ষে।
কার্লোস স্লিম হেলু, মেক্সিকো।
নিচে বর্তমানে (সেপ্টেম্বর,১৪) বিশ্বের শীর্ষ দশ ধনীর তালিকা দেওয়া হল। 

ক্রম
নাম
অর্থের পরিমাণ (বিলিয়ন ডলার)
বয়স
দেশ
অর্থের উৎস
১
কার্লোস স্লিম হেলু
৮২.৮
৭৪
মেক্সিকো
টেলিকম
২
বিল গেটস
৮১.৩
৫৮
আমেরিকা
মাইক্রোসফট
৩
ওয়ারেন বাফেট
৬৮.২
৮৩
আমেরিকা
Berkshire Hathaway
৪
অ্যামানিচিও ওর্টেগা
৬০.৬
৭৮
স্পেন
খুচরা
৫
ল্যারি ইলিসন
৪৮.৫
৬৯
আমেরিকা
ওর‍্যাকল
৬
চার্লস কোচ
৪৩
৭৮
আমেরিকা
বিবিধ
৭
ডেভিড কোচ
৪৩
৭৪
আমেরিকা
বিবিধ
৮
কৃষ্টি ওয়াল্টন পরিবার
৩৮
৫৯
আমেরিকা
ওয়াল মার্ট
৯
জিম ওয়াল্টন
৩৬.৩
৬৬
আমেরিকা
ওয়াল মার্ট
১০
লিলিয়ানে বেটেনকোর্ট পরিবার
৩৫.৫
 ৯১
ফ্রান্স
L'Oreal

লক্ষ্যণীয়ঃ
* বিশ্বের শীর্ষ ১০ ধনীর ৭ জনই আমেরিকার। 
* বিল গেটস সবচেয়ে বেশি বার শীর্ষে ছিলেন। ১৯৯৫ সাল থেকে টানা ২০০৭ সাল পর্যন্ত। কিন্তু এই লিস্টে তাঁর বয়স সবচেয়ে কম.
এই তালিকা যে কোন সময় এদিক ওদিক হতে পারে। তবে খুব বেশি নড়চড় হবে না। শীর্ষত্ব এই কয় জনের মধ্যেই থাকে।
সূত্রঃ
১. http://www.forbes.com/billionaires/list/#tab:overall

শনিবার, ২১ জুন, ২০১৪

ভিন্ন ভাষায় একই বানানের ভিন উচ্চারণ কেন?

জবাবটা একটু পরে বলছি, আগে একটু আলাপ করে নেই।
ব্যাপারটি আমার প্রথম চোখে পড়ে ২০১০ সালের নোবেল পুরস্কারের মৌসুমে। সে বছর সাহিত্যে নোবেল পান পেরুর লেখক মারিও ভার্গাস য়োসা। ভদ্রলোকের নামের ইংরেজি বানান Mario Vargas Llosa। তার মানে Llosa = য়োসা। মানলাম, কিন্তু যখন 'য়োসা' ই হবে তখন Osa লিখলেই চলত Llosa কেন?
আবার স্পেনের বিখ্যাত ফুটবলার ডেভিড ভিয়ার নামের বানানও কিন্তু Villa। কেন?
আবার বাংলায় আর্য শব্দকে ইংরেজিতে লিখতে হলে হয় Arya, বিশ্বাস হয় bishwas। আরবি ঈসা ইংরেজিতে হয় Jesus আর বাংলায় যীশু।

আসলে বানানের রূপ পরিবুর্তন হয় ধ্বনির মৌলিকত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য। বাংলা য-ফলা বা য- বর্ণের ইংরেজি প্রতি বর্ণ হল y। ফলে আর্য হল arya। তেমনি বিদ্যা হবে Bidya। অভ্র কি-বোর্ডে লিখতে গেলে প্রতি-বর্ণায়নের ব্যাপারে কিছুটা ধারণা হয়, যদিও পারফেক্ট নয়।
এছাড়া 'বিশ্বাস" লিখতে 'শ' এর নিচের 'ব' টি স্বাভাবিক 'ব' নয়, ২য় 'ব'। এর অন্য ব্যবহার আছে 'স্বাভাবিক' শব্দে, ধ্বনি শব্দে ইত্যাদি। আর এর ইংরেজি প্রতি-বর্ণ হল w।
তাই বিশ্বাস = Bishwas।
আবার অনেক সময় বানানে থাকা সব অক্ষর উচ্চারিত হয় না। এর কারণও ধ্বনির মৌলিকত্ব সংরক্ষণ।
য়োসা সাহেবের বাড়ি পেরু। পেরুতে উনারা চলেন স্প্যানিশ ভাষা দিয়ে। একটি অতিরিক্ত ñ ছাড়া ইংরেজি ও স্প্যানিশের সব বর্ণ একই, তবে উচ্চারণ কিছুটা ভিন্ন। স্প্যানিশ L ও ইংরেজি L এর উচ্চারণ ভিন্ন। ডাবল L এর (Ll) উচ্চারণ আরও ভিন্ন। অঞ্চলভেদে Ll এর উচ্চারণগত পার্থক্য থাকলেও এর সবচেয়ে প্রচলিত উচ্চারণ হল ইংরেজি y অক্ষরের (যেমন Yellow শব্দে) মত। 

ফুটবল মাঠের মাপঝোঁক

খেলা দেখি আর না দেখি, পছন্দ করি আর না করি, সাপোর্টার যে দলেরই হই না কেন, সাড়ে তিনশো কোটি ভক্তের মন কেড়ে নেওয়া বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ক্রীড়া সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত। ২০০ এর অধিক দেশের ২৫ কোটি মানুষের পেশা ফুটবল খেলা।

ফুটবল বলের তথ্যঃ

সাইজ-৫ সকার বলের ব্যাস হচ্ছে ২২ সে.মি. বা ৮ দশমিক ৬৫ ইঞ্চি। নিয়ম হচ্ছে এই মাপের বলের পরিসীমা হতে হবে ৬৮-৭০ সেমি এর মধ্যে। ফলে, ভাগ করে ব্যাস পাওয়া যায় প্রায় ২২ সে.মি.। 
এবার আসি মাঠের খবরাখবরে। বর্ণনার চেয়ে ছবি দেখে ভালো বোঝা যাবে। নিচের ছবিটি বড় করে দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

মাঠটি অবশ্যই আয়তাকার। বৃহত্তর বাহুগুলোকে বলে স্পর্শরেখা (টাচলাইন) আর অপর বিপরীত বাহুদ্বয়কে বলে গোল রেখা। উভউপাশেই গোল লাইনদ্বয় ৪৫ থেকে ৯০ মিটারের মধ্যে থাকতে হবে( ৫০-১০০ গজ)। দুই স্পর্শরেখার দুরত্ব হতে হবে ৯০ থেকে ১২০ মিটারের মধ্যে (১০০-১৩০ গজ)। 
তবে আনর্জাতিক ম্যাচে গোল লাইন ৬৪ থেকে ৭৫ মিটার ( ৭০-৮০গজ) এবং টাচলাইন ১০০ থেকে ১১০ মিটার ( ১১০ থেকে ১২০ গজ) এর মাঝে থাকতে হবে। 

গোলপোস্টঃ
গোলপোস্ট দৈর্ঘ্যে ৮ গজ বা ৭.৩২ মিটার এবং উচ্চতায় ৮ ফুট বা ২.৪৪ মিটার হবে। 
গোল পোস্টের ১১ মিটার বা ১২ গজ দুরত্ব থেকে পেনাল্টি কিক করা হয়। 

অন্যান্য হিসাবঃ
মাঠের একেবারে মাঝে যেই বৃত্ত্ব আছে তার ব্যাসার্ধ কেন্দ্রীয় বিন্দু হতে ৯.১৫ মিটার।  কর্নারের সময় বিপক্ষ দলের খেলোয়ারকে ৯.১৫ মিটার বা দশ গজ দূরে থাকতে হবে। 


বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০১৪

বাংলাদেশের জাতীয় ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিবস

বাংলাদেশের জাতীয় ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিবস


তারিখ দিবস
১ জানুয়ারি জাতীয় গ্রন্থ দিবস
১৯ জানুয়ারি জাতীয় শিক্ষক দিবস
২ ফেব্রুয়ারি জনসংখ্যা দিবস
২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস
২ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস
৫ এপ্রিল জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
২১ নভেম্বর সশস্র বাহিনী দিবস
৭ ডিসেম্বর জাতীয় টিকা দিবস
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস
২৪ জানুয়ারি গণঅভ্যুথান দিবস
২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস
২৩ জুন পলাশী দিবস
৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস
৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস
১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস
৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমী দিবস
৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস

বাংলাদেশের সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের পরিচিতি

দেশের কৃতি সন্তান বীরশ্রেষ্ঠদের পরিচিতি তুলে ধরা হল। এখানে তাঁদের শাহাদাতের ক্রম অনুযায়ী ছক সাজানো হয়েছে।
নাম পদবী জন্ম জন্মস্থান কর্মস্থল মৃত্যু
মুন্সী আব্দুর রউফ ল্যান্স নায়েক মে, ১৯৪৩ বোয়াল্মারী, ফরিদপুর ইপিআর ৮ এপ্রিল, ১৯৭১, রাঙমাটি
মোস্তফা কামাল সিপাহী ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭ পশ্চিম হাজিপুর, ভোলা সেনাবাহিনী ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
মতিউর রহমা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ২৯ নভেম্বর, ১৯৪২ রায়পুরা, নরসিংদী বিমানবাহিনী ২০ আগষ্ট, ১৯৭১
নূর মোহাম্মদ ল্যান্স নায়েক ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ নড়াইল ইপিআর ৫ সেপ্টেম্বর
হামিদুর রহমান সিপাহী ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩ মহেশপুর, ঝিনাইদহ সেনাবাহিনী ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১
মোহাম্মফ রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার ১৯৩৪ বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী নৌবাহিনী ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন ১৯৪৮ বাবুগঞ্জ, বরিশাল সেনাবাহিনী ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

সোমবার, ১০ মার্চ, ২০১৪

বাংলাদেশের বেশ কিছু স্থাপনা ও স্থপতি


স্থাপত্য
স্থান
স্থপতি
অপারাজেয় বাংলা
ঢাবি কলাভবন
আব্দুল্লাহ খালেদ
মুক্ত বাংলা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
রশিদ আহম্মেদ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন
হামিদুর রহমান
জাতীয় স্মৃতিসৌধ
সাভার
সৈয়দ মইনুল হোসেন
জাতীয় জাদুঘর
শাহবাগ
সামছুল ওয়ারেস
টিএসসি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কন্সট্যানটাইন ডক্সাইড
কমলাপুর রেল স্টেশন
কমলাপুর, ঢাকা
বব বোই
বাইতুল মোকাররম
গুলিস্তান, ঢাকা
আবুল হোসেন মো. খারিয়ানি
সংশপ্তক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
জাহানারা পারভীন
শাপলা
মতিঝিল
আজিজুল জলিল পাশা
দোয়েল
ঢাবি
আজিজুল জলিল পাশা
তিন নেতার মাজার
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দঃ
মাসুদ আহমেদ