বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠা

শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০১৪

ফ্রি ব্লগ/ওয়েবসাইট বানানোর উপায়


ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাতে আপনার দুটি জিনিস প্রয়োজন। এক, একটি ডোমেইন নিবন্ধন করা। ডোমেইন নেইম হচ্ছে আপনার সাইটের ঠিকানা যেখানে গেলে ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবে। যেমন skyphoton.com হল এই ব্লগের ডোমেইন নেইম।
দুই, ওয়েব ফাইল বা তথ্য রাখবার জন্য ওয়েব স্পেস কেনা যাকে বলা হয় হোস্টিং যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আপনার ফাইল গুলো রাখতে পারবেন।
এখন, ফ্রিতে ওয়েবসাইট বা ব্লগ বানানোর অর্থ ডোমেইন এবং হোস্টিং দুইই ফ্রিতে পাওয়া। অবশ্য এমনও করতে পারেন যে, ডোমেইন নিবন্ধন করলেন, কিন্তু হোস্টিং ফ্রিতে রাখলেন।
ফ্রি ডোমেইনের সুবিধাঃ
১। আপনাকে বছর বছর পে করতে হচ্ছে না।
২| বেশিরভাগ ফ্রি ডোমেইন সরবরাহকারীই ফ্রি সাইটবিল্ডিং বা সাইট নির্মাণের সুযোগ দেয়।
ফ্রি ডোমেইনের অসুবিধাঃ
১| আপনার নিজস্ব কোন ঠিকানা থাকলো না। আপনি যখন ফ্রি ডোমেইন ইউজ করবেন তখন আপনার ওয়েব ঠিকানার সাথে Domain Name Provider এর নামও থাকবে। ফলে আপনার স্বাতন্ত্র্য থাকলো না। যেমন ধরুন example.com নামের সাইটটি আপনাকে ফ্রি ডোমেইন দিচ্ছে। তাহলে আপনার ডোমেইন হবে এরকম yourname.example.com যেখানে yourname এর জায়গায় আপনার ইচ্ছামতো দিতে পারবেন কিন্তু শেষে তাদের নাম থাকবেই।
২| অনেক সময় দেখা যায় আপনি ডোমেইনটি নেবার কিছুদিন পর আপনাকে কিনতে বলা হবে। তখন না কিনলে আপনার সুবিধা বাতিল করা হবে।
৩| সার্চ ইঞ্জিন সহায়ক নয়।
বর্তমানে বেশিরভাগ ওয়েবসাইটই ব্লগ স্টাইলে বানানো হয়। মূলত বলা যায়, সকল ব্লগই ওয়েবসাইট কিন্তু সকল ওয়েবসাইট ব্লগ নয়। ফ্রি ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানানো যায় এমন কিছু link নিচে দেওয়া হল।
১| www.blogger.com
২। wordpress.com
৩| www.weebly.com
৪। www.yola.com
৫| www.webs.com
ইত্যাদি সহ আরো অসংখ্যা। পরের পোস্টে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে, ইনশা'আল্লাহ।

বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০১৪

The more we know the more we know that we know less

The quantity of knowledge is infinite. When we know some limited stuffs, we may think there are 'something else' remaining for me to know. But, when we know more, we get to know that the field of knowledge was and is a bit broader. Thus, when keep knowing more and more, we come to know that there enormous fields of knowledge which are outside the purview of our previously known things.
To sum up, as by knowing more, we discover that we have more unknown things than what we thought previously we can agree with the title.
So, let's know that we know less!!

বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০১৪

বাংলাদেশের জাতীয় ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিবস

বাংলাদেশের জাতীয় ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিবস


তারিখ দিবস
১ জানুয়ারি জাতীয় গ্রন্থ দিবস
১৯ জানুয়ারি জাতীয় শিক্ষক দিবস
২ ফেব্রুয়ারি জনসংখ্যা দিবস
২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস
২ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস
৫ এপ্রিল জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
২১ নভেম্বর সশস্র বাহিনী দিবস
৭ ডিসেম্বর জাতীয় টিকা দিবস
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস
২৪ জানুয়ারি গণঅভ্যুথান দিবস
২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস
২৩ জুন পলাশী দিবস
৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস
৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস
১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস
৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমী দিবস
৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস

বাংলাদেশের সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের পরিচিতি

দেশের কৃতি সন্তান বীরশ্রেষ্ঠদের পরিচিতি তুলে ধরা হল। এখানে তাঁদের শাহাদাতের ক্রম অনুযায়ী ছক সাজানো হয়েছে।
নাম পদবী জন্ম জন্মস্থান কর্মস্থল মৃত্যু
মুন্সী আব্দুর রউফ ল্যান্স নায়েক মে, ১৯৪৩ বোয়াল্মারী, ফরিদপুর ইপিআর ৮ এপ্রিল, ১৯৭১, রাঙমাটি
মোস্তফা কামাল সিপাহী ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭ পশ্চিম হাজিপুর, ভোলা সেনাবাহিনী ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
মতিউর রহমা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ২৯ নভেম্বর, ১৯৪২ রায়পুরা, নরসিংদী বিমানবাহিনী ২০ আগষ্ট, ১৯৭১
নূর মোহাম্মদ ল্যান্স নায়েক ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ নড়াইল ইপিআর ৫ সেপ্টেম্বর
হামিদুর রহমান সিপাহী ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩ মহেশপুর, ঝিনাইদহ সেনাবাহিনী ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১
মোহাম্মফ রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার ১৯৩৪ বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী নৌবাহিনী ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন ১৯৪৮ বাবুগঞ্জ, বরিশাল সেনাবাহিনী ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

সোমবার, ১০ মার্চ, ২০১৪

বাংলাদেশের বেশ কিছু স্থাপনা ও স্থপতি


স্থাপত্য
স্থান
স্থপতি
অপারাজেয় বাংলা
ঢাবি কলাভবন
আব্দুল্লাহ খালেদ
মুক্ত বাংলা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
রশিদ আহম্মেদ
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন
হামিদুর রহমান
জাতীয় স্মৃতিসৌধ
সাভার
সৈয়দ মইনুল হোসেন
জাতীয় জাদুঘর
শাহবাগ
সামছুল ওয়ারেস
টিএসসি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কন্সট্যানটাইন ডক্সাইড
কমলাপুর রেল স্টেশন
কমলাপুর, ঢাকা
বব বোই
বাইতুল মোকাররম
গুলিস্তান, ঢাকা
আবুল হোসেন মো. খারিয়ানি
সংশপ্তক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
জাহানারা পারভীন
শাপলা
মতিঝিল
আজিজুল জলিল পাশা
দোয়েল
ঢাবি
আজিজুল জলিল পাশা
তিন নেতার মাজার
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দঃ
মাসুদ আহমেদ
 

বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ, ২০১৪

স্বচ্ছ বস্তু স্বচ্ছ হয় কেন?


স্বছ পদার্থ হচ্ছে সেই বস্তু যার মধ্য দিয়ে আলো চলাচল করতে পারে। যেমন কাঁচ। এর মধ্য দিয়ে তাকালে বিপরীত পাশের বস্তু দেখা যায় (অবশ্যই যদি না অপর পাশে প্রলেপ দেওয়া থাকে)। চলুন দেখি কেন আমরা কাঁচের মধ্য দিয়ে তাকালে অপর পাশের বস্তু দেখি অথচ কাঠের মধ্য দিয়ে তাকালে দেখি না।
আপনি খেয়াল করে থাকবেন, বেশিরভাগ তরল ও গ্যাসীয় পদার্থই স্বচ্ছ। পানি, রান্না-বান্নার তেল, বায়ূ, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি।
কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থের মৌলিক ভিন্নতাই এর কারণ।
কোন বস্তু যখন কঠিন অবস্থায় থাকে তখন এর অণুগুলো (Molecules) পরস্পরের সাথে খুব সু-সংগঠিত থাকে, এবং এর ফলে তাদের মধ্যকার বন্ধন খুব শক্তিশালী হয় আর বস্তুটি পায় দৃঢ়তা। বস্তুটি যখন তরল হয়ে যায়, তখন বন্ধন-শক্তি কমে যায় এবং অণুগুলোর সজ্জা বা বিন্যাস কিছুটা বিশৃংখল হয়ে যায়। আর গ্যাসীয় অবস্থায় এ বিন্যাস হয়ে যায় একেবারেই এলোমেলো।
বিন্যস্ত অবস্থা থেকে ক্রমে তরল ও গ্যাসে সজ্জাহীনতাই এদের মধ্য দিয়ে আলো চলাচল করতে পারার মূল কারণ। একটার উপর একটা ইট খাড়া করে যেমন দূর্ভেদ্য দেয়াল নির্মাণ করা যায় তেমনি আলোক তরঙ্গ চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় অণুর সুবিন্যস্ততা।
বস্তু সাপেক্ষে আলোক তরঙ্গ প্রতিফলিত বা শোষিত হবে অথবা ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু তরল বা গ্যাসের ক্ষেত্রে অণুগুলো নিজেদের সাথে গাদাগাদি করে লেগে থাকবে না। ফলে তাদের মাঝে ফাঁকা স্থান রয়ে যাবে যে পথে আলোক তরঙ্গ বের নিজের পথ করে নেবে।
অণুগুলোর অবিন্যস্ততা ( randomness) যত বেশি হবে , আলো তত সহজে বস্তূটিকে পাড়ি দেবে।
যখন একটি ফোটন (Photon) কোন পদার্থের পরমাণুর ইলেক্ট্রনের সংস্পর্শে আসে তখন নিম্ন-ঘটনা ঘটতে পারে-
      ক. ইলেক্ট্রন ফোটনের শক্তি শোষণ করে একে রূপান্তরিত করবে (সাধারণত তাপ শক্তিতে)
      খ. ইলেক্ট্রন ফোটনের শক্তি শোষণ ও সঞ্চয় করে ঔজ্জ্বল্য (Luminescence)  প্রদর্শন করবে।
      গ. ফোটনের শক্তি শোষণ করে পরে প্রতিফলিত করবে
      ঘ. ইলেক্ট্রন ফোটন কে শোষিত করতে পারবে না, ফলে ফোটন বস্তুটি ভেদ করে চলে যাবে।
অবশ্য, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপরের সব অপশনের সমন্বয় (Combination) ঘটে।
এবার চলুন দেখি কাঁচ কীভাবে স্বচ্ছ হয়?
সিলিকা বা বালি কাঁচ তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যাবহৃত হয়। এটাকে গলনাঙ্কে পৌঁছানো পর্যন্ত উত্তপ্ত করে তরল বানিয়ে এরপর  ঠণ্ডা করা হয়। ফল দাঁড়ায় এর অণুগুলো তরলের মতই অ-বিন্যস্ত থাকে কিন্তু কঠিন পদার্থের মত শক্ত বন্ধন ও দৃঢ়তা ধরে রাখে।
প্লাস্টিককেও একইভাবে শীতলীকরণের মাধ্যমে স্বচ্ছ বানানো হয়।
 

ঘর্ষণের ফলে কীভাবে তাপ উৎপন্ন হয়?


তাপ হলো শক্তির এমন এক রূপ যা সাধারণত শক্তির রূপান্তরের সময় অবমুক্ত হয়। শক্তির প্রধান দুই রূপ হলো বিভবশক্তি ও গতিশক্তি। বিভবশক্তির কারণ অবস্থান আর গতিশক্তির কারণ গতি। সংরক্ষণশীলতা নীতি মেনে চলতে গিয়ে রুপান্তরের আগে ও পরে বিভবশক্তি ও গতিশক্তির পরিমাণ একই থাকে।

নির্দিষ্ট দিকহীন গতিশক্তিকে তাপ বলে বা বলা যায় দ্রুত বেগে কম্পমান অণুই তাপ।

যখন কোন বস্তু চলতে থাকে তখন এর সবগুলো অণু একই দিকে মুখ করে থাকে। যখন দু’টি বস্তুর ধাক্কা লাগে তখন তাদের মধ্যকার ভাঁজ বা অমসৃণতা একুমখী শক্তিকে এলোপাথাড়িভাবে বিভিন্নমুখী করে দেয়। (প্রকৃতপক্ষে কোন বস্তুই শতভাগ মসৃণ নয়)

আর যখন কোন বস্তুর অণুগুলোর কম্পনের দিক এলোমেলোভাবে বিভিন্নদিকে থাকে তখনই বস্তুটি উত্তপ্ত হয়।

ঘড়ির কাটা সবসময় ডান দিকে ঘোরে কেন???


ঘড়ির কাটা সবসময় ডান দিকে ঘোরে কারণ প্রচলিত নিয়মে এমনভাবে বানানো হয় । ভিন্ন কৌশল করলে উল্টোভাবেও ঘড়ি বানানো যাবে যার কাঁটা বাঁ থেকে ডানে যাবে।
প্রচলনের উৎপত্তি যেভাবেঃ
ঘড়ি আবিষ্কারের পূর্বে মানুষ ব্যবহার করত সূর্যঘড়ি বা Sun Dials। ঘড়ি আবিষ্কার করেছিল উত্তর গোলার্ধের মানুষ। উত্তর গোলার্ধে সূর্যঘড়ির ছায়া  ডান থেকে বাঁ দিকে বেঁকে যায়। এটা বুঝতে হলে মনে করুন (বা সত্যিইকরুন)-

১. উত্তর গোলার্ধে একটি খুঁটি গাঁড়ুন

২. এটার সামনে উত্তরমুখী হয়ে দাঁড়ান।

৩. খুঁটির ছায়ার দিকে লক্ষ্য রাখুন।

সময়ের সাথে সাথে সূর্য পশ্চিমাকাশ থেকে পূবাকাশের দিকে যাচ্ছে, আর ছায়া যাচ্ছে পূব থেকে পশ্চিমে।  এখন, দর্শকের সাপেক্ষে ঘড়ির কাঁটা ডান থেকে বাঁয়ে যাচ্ছে। সূর্যঘড়ি এভাবেই কাজ করে। ফলে উত্তর গোলার্ধের মানুষ যখন ঘড়ি আবিষ্কার করল, তারা এই নিয়মটি মেনে চলল।

শনিবার, ১ মার্চ, ২০১৪

স্কাই ফোটনঃ বিজ্ঞান বিষয়ক উপবিভাগ সমূহ

বিজ্ঞান বিভাগের অধীনে রয়েছে আরো অনেকগুলো উপ-বিভাগঃ
বিভাগভিত্তিক ব্রাউজ করতে ক্লিক করুন।
বিজ্ঞান বিষয়ক সর্বশেষ ৩০ টি পোস্টঃ সকল পোস্ট