বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠাসমূহ

বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

বাংলা বানান সূত্র

সৌমিত্র শেখরের বানান সূত্রঃ
দেশ, ভাষা, জাতির নামে কার হয় 'ই'
অপ্রাণী, ইতরপ্রাণী তা-ও জেনেছি,
উভয় ক্ষেত্রে ই-কার নিশ্চিত জানি
সংস্কৃতের স্ত্রী ঈ-কার মানি। 
বিদেশি শব্দে 'ষ' হবে না কখনো
তৎসম ভিন্ন শব্দে 'ন' হয় জেনো,
রেফ থাকলে বর্ণে দ্বিত্ব না-হয়
অন্তে বিসর্গ বর্জন জানিবে নিশ্চয়।
জগৎ-বাচক-বিদ্যা-ত্ব-তা-নী-ণী হলে
শব্দান্তের 'ঈ' ই-কার হয় সৌমিত্র বলে। 

ব্যাখ্যাঃ
১. যে-কোনো দেশ, ভাষা ও জাতির নাম লিখতে ই/ঈ-কার দেয়ার প্রশ্ন এলে তাতে নিশ্চিন্তে ই-কার দেয়া যাবে। যেমনঃ 
দেশঃ গ্রিস, জার্মানি, চিন, ইতালি, হাঙ্গেরি ইত্যাদি। ব্যতিক্রমঃ মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা। সম্ভবত কারণ এগুলো ইংরেজি নামের প্রতিবর্ণায়ন নয়। 
ভাষাঃ হিন্দি, সাঁওতালি, আরবি, পারসি ইত্যাদি। 
জাতিঃ বাঙালি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি। 
২.  অপ্রাণিবাচক শব্দে ও ইতরপ্রাণিবাচক অতৎসম শব্দের শেষে ই/ঈ-কারের মধ্যে ই-কার হবে। যেমনঃ 
অপ্রাণিবাচক শব্দঃ বাড়ি, গাড়ি, চাবি, শাড়ি ইত্যাদি। 
ইতরপ্রাণিবাচক শব্দঃ পাখি, হাতি, চড়ুই, মুরগি ইত্যাদি। 
৩. সংস্কৃত বা তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে সর্বদা ঈ-কার হবে। যেমনঃ জননী, স্ত্রী, নারী, সাধ্বী। 
৪। বিদেশি শব্দের বানান বাংলায় লেখার সময় কখনো 'ষ' লেখা যাবে না। যেমনঃ ষ্টেশন হবে, হবে স্টেশন। এরূপ স্টুডিও, ফটোস্ট্যাট ইত্যাদি। 
৫. তৎসম বা সংস্কৃত কতিপয় শব্দ ছাড়া অন্য সব শব্দের বানানে 'ণ' হবে না, হবে 'ন'। যেমনঃ কর্ণার হবে না, হবে কর্নার। কর্ণেল হবে না, হবে কর্নেল। বামুণ হবে না, হবে বামুন। 
৬. বানানে যে বর্ণের উপর রেফ থাকবে, সেই বর্ণে দ্বিত্ব হবে না। যেমনঃ কার্য্যালয় হবে না, হবে কার্যালয়। নির্দ্দিষ্ট হবে না, হবে নির্দিষ্ট। 
৭. বিস্ময়সূচক অব্যয় (যেমনঃ বাঃ/ ছিঃ/ উঃ ইত্যাদি) ছাড়া বাংলা শব্দের শেষে বিসর্গ রাখা যাবে না। যেমনঃ প্রায়শঃ/ বিশেষতঃ/ কার্যতঃ/ প্রথমতঃ ইত্যাদি লেখা যাবে না, লিখতে হবে প্রায়শ/ বিশেষত/ প্রথমত ইত্যাদি। 
৮. কোনো শব্দের শেষে ঈ-কার থাকে, সেই শব্দের সঙ্গে জগৎ, বাচক, বিদ্যা, সভা, ত্ব, তা, নী, ণী, পরিষদ, তত্ত্ব ইত্যাদি যুক্ত হয়ে যদি যদি নতুন শব্দ গঠন করে, তবে পূর্ববর্তী শব্দের ঈ-কার নবগঠিত শব্দে সাধারণত ই-কারে পরিণত হয়। 
যেমনঃ
প্রাণী+বিদ্যা= প্রাণিবিদ্যা, প্রাণিজগৎ, মন্ত্রিসভা, প্রাণিবাচক, মন্ত্রিপরিষদ, কৃতিত্ব, স্থায়িত্ব, দায়িত্ব, প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সহমর্মিতা, বাগ্মিতা, সঙ্গিনী, তপস্বিনী, অধিকারিণী, প্রতিহারিণী, আদরিণী ইত্যাদি। 
৯। শব্দে উর্ধ্বকমা লেখা যাবে না। 
যেমনঃ হ'ল → হল, দু'টি → দুটি, তা'র → তার ইত্যাদি। 
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর (ঢকা বিশ্ববিদ্যালয়) 

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৫

গুগল ক্রোমের ১৮টি কিবোর্ড শর্টকাট


১। নতুন ট্যাব খুলতে- Ctrl + T
২। বর্তমান ট্যাব বন্ধ করতে - Ctrl + W
৩। ভুলক্রমে এইমাত্র বন্ধ করা ট্যাব পুনরায় লোডঃ Ctrl + Shift + T
৪। বিভিন্ন ট্যাব বদলঃ Ctrl + ট্যাবের ক্রমিক। যেমন Ctrl +1 চাপলে এক নং ট্যাবে যাবে।
৫। নতুন ট্যাবে লিঙ্ক খুলতেঃ Ctrl চেপে ধরে মাউসে ক্লিক। এর বিকল্প হচ্ছে মাউসে রাইট ক্লিক করে open link in new tab ক্লিক করা। কিন্তু কিবোর্ড অপশনটাই ভালো।
৬। নতুন উইন্ডোতে লিঙ্ক খুলতেঃ Ctrl চেপে ধরে ক্লিক।
৭। সার্চ বা এ্যাড্রেসবারে টেক্সট ইনপুট দিতেঃ মনে করুন আপনি কোন ওয়েবসাইটে যেতে চান বা কিছু সার্চ করতে চান। তাহলে CTrl + L চাপুন।
৮। আগের পেইজে ফিরে যেতেঃ backspace
৯। পরের পেইজে ফরোয়ার্ড হতে অর্থ্যাৎ এই মাত্র যে পেইজে গিয়ে ব্যাকস্পেইস দিয়ে ফিরে এসেছেন তাতে আবার যেতেঃ Shift + backspace।
১০। পেইজ রিলোড করতেঃ হয়  f5 চাপুন অথবা চাপুন Ctrl + R।
১১। পেইজ থেকে কোন কিছু খুঁজে বের করতেঃ Ctrl + F। উল্লেখ্য এটা কিন্তু পুরো সাইটে সার্চ দেবে না, শুধু বর্তমান পেইজে সার্চকৃত টেক্সট খুঁজবে।
১২। ১১ নং ধাপে করা সার্চের পরবর্তী রেজাল্ট দেখতেঃ Ctrl + G অথবা শুধু enter চাপুন।
১৩। পূর্ববর্তী সার্চ রেজাল্ট দেখতেঃ Ctrl + Shift + G।
১৪। বর্তমান পেইজ বুকমার্ক করতেঃ Ctrl + D।
১৫। গুগল ক্রোমের ডাউনলোড পেইজ দেখতেঃ Ctrl + J।
১৬। নতুন উইন্ডো খুলতেঃ Ctrl + N।
১৭। বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করতেঃ Ctrl + Shift + W।
১৮। বর্তমান উইন্ডো মিনিমাইজ করতেঃ alt + Space চেপে ডাউন এ্যারো চেপে নিচে এসে মিনিমাইজ অপশন চাপুন।
সূত্রঃ হাব স্পট

রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৫

নিজের ব্লগ বানাবেন কিভাবে?

বিভিন্ন কারণে আমাদের নিজস্ব ব্লগ তৈরি করার দরকার হতে পারে। এখানে আমরা দেখবো বিনামূল্যে কিভাবে ব্লগ বানানো যায়। এই পোস্ট আমাদের একটি প্যাকেজ টিউটোরিয়ালের অংশ। এই প্যাকেজে আমরা ব্লগার প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্লগিং শিখবো। চাইলে এই লিঙ্ক থেকে অন্য অপশনগুলোও দেখে নিতে পারেন।
ধাপ-১ঃ ব্লগারের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
এই প্ল্যাটফর্মটি গুগলের একটি প্রোজেক্ট। তাই ব্লগার use করতে হলে আপনার গুগল একাউন্ট থাকতে হবে। আপনার ইতোমধ্যেই গুগল বা জিমেইল একাউন্ট থাকলে এতে সাইন ইন করুন। না থাকলে Create account এ ক্লিক করে খুলে নিন এবং তারপর সাইন ইন করুন।
আরো দেখুনঃ গুগলে সাইন ইন করার সেরা কৌশল 

ধাপ-২ঃ এখন আপনি ব্লগারের হোম পেইজে আছেন। আপনি যদি আগে ব্লগার দিয়ে কোন ব্লগ খুলে থাকেন, তবে এখানে সবগুলো ব্লগের লিস্ট পাবেন। তবে আগে খুলে থাকেন বা নাই থাকেন, পেইজের বাম পাশে 'নতুন ব্লগ' লেখা একটি বাটন পাবেন। এখানে ক্লিক করুন।
ধাপ-৩ঃ এবার আপনি এই রকম একটি পাতায় এলেন
এখানে যথাক্রমে ব্লগ শিরোনাম ও ব্লগ ঠিকানা লিখুন। শিরোনাম আপনার ইচ্ছা মতো দিতে পারবেন। কিন্তু ঠিকানা দিতে হবে ইংরেজিতে। এটাই আপনার ব্লগের এ্যাড্রেস (URL) হবে। এখানে শুধু ইংরেজি অক্ষর, অঙ্ক এবং হাইফেন দিতে পারবেন। আর কিছুই- এমনকি স্পেইসও দিতে পারবেন না। এটা পরে চেঞ্জ করা যাবে। এই ঠিকানা সব সময় আপনার ইচ্ছামত পাবেন না, কারণ আপনার আগেই কেউ এই ঠিকানায় ব্লগ বানিয়ে ফেলতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি বক্সের নিচে দেখতে পাবেন যে, দুঃখিত, এই ব্লগ ঠিকানাটি উপলভ্য নয়। অতএব এটা পাল্টিয়ে অন্য কিছু দিয়ে দেখুন।
পছন্দের কিছু যদি নাও পান, আশার কথা হলো, আপনি পরে আপনার নিজস্ব ডোমেইন এখানে যোগ করতে পারবেন।
যেমন ধরুন, আমি হয়তো bishwo.blogspot.com নাও পেতে পারি। কিন্তু পরে যদি আমি  bishwo.com ডোমেইনটি কিনে ফেলি তখন এটি ব্লগারে ব্যবহার করতে পারব। উপরন্তু ব্যবহার করতে পারব অনেকগুলো সাবডোমেইনও যেমনটা আমি করে ফেলেছি।
ধাপ-৪ঃ সব শর্ত পূরণ করার পর নিচ থেকে একটি টেমপ্লেট বাছাই করুন। পরে এটিও চেঞ্জ করতে পারবেন।
ধাপ-৫ঃ নিচে ব্লগ তৈরি করুন বাটনে ক্লিক করুন।
আপনার ব্লগ হয়ে গেল। এবার নিশ্চয়ই আপনি একটি পোস্ট দিতে চাইবেন। এই পোস্ট থেকে দেখে নিন পোস্ট দেবার কিছু বিশেষ কায়দা কানুন। 

ফেসবুক বা গুগলে সাইন ইন করার সেরা কৌশল

এই পোস্ট দেবার একমাত্র উদ্দেশ্য কয়েকটি সেকেন্ড সময় বাঁচানো। আমরা অনেকেই ফেসবুক বা গুগলের বিভিন্ন সেবা যেমন জিমেইল, ইউটিউব বা ব্লগারে সাইন ইন করতে গিয়ে পুরো ইমেইল বসাই। আসলে সাইন ইন করার জন্যে পুরো ইমেইল বসাবার কোন দরকার নেই। এই কাজের জন্যে আপনার ইউজার নেইমই যথেষ্ট।
গুগলঃ
গুগলের ক্ষেত্রে '@' চিহ্নের আগে যে অংশটুকু থাকে, সেটিই হচ্ছে আপনার ইউজার নেইম। সাইন ইন করতে গিয়ে এটি বসিয়ে কিবোর্ডে Enter চাপুন অথবা Next এ ক্লিক করুন। দেখাবেন, গুগল নিজেই আপনার পুরো ইমেইল বসিয়ে দিয়েছে। এবার পাসওয়ার্ড বসিয়ে সাইন ইন করে গুগলের সেবাগুলো উপভোগ করতে থাকুন।
একই কথা প্রযোজ্য ফেসবুক লগ ইনের ক্ষেত্রেও। ফেসবুকের ক্ষেত্রেও ইউজার নেম দিয়েই লগ ইন করা যায়। তবে, এখানে আমরা আমাদের প্রোফাইল নামকে ইউজার নেইম মনে করি। কিন্তু আসলে ইউজার নেইম হচ্ছে আপনার প্রোফাইল লিঙ্কে facebook.com এর স্ল্যাশ চিহ্ন দিয়ে যে নামটা থাকে সেটি।
যেমন আমার ক্ষেত্রে '/' চিহ্নের পরের mahmud.sbi কথাটি হচ্ছে ইউজার নেইম।
আপনার ক্ষেত্রে এটি না থাকলে সেটিংস এ গিয়ে তৈরি করে নিন। এর পর থেকে ইউজার নেইম বসিয়েই পাসওয়ার্ডের ঘরে গিয়ে লগ ইন করে ফেলুন।




সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০১৫

উইন্ডোজ পিসির বহুল ব্যবহৃত কিছু কি-বোর্ড শর্টকাট

এখানে বেশি প্রয়োজনীয় কিছু শর্টকাট দেওয়া হলো। ব্রাউজার  নিয়ন্ত্রণের কি-বোর্ড শর্টকাট দেখতে এখানে ক্লিক করুন।


ক্রম শর্টকাট ব্যাবহার
১ উইন্ডোজ বাটন + সার্চ। উইন্ডোজ লোগো চেপে কাঙ্ক্ষিত ফাইল বা প্রোগ্রামের নাম টাইপ করা শুরু করতে হবে। যেমন মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার খুঁজে বের করতে উইন্ডোজ কি চেপে টাইপ করা শুরু করুন Firefox। ফলাফলে ব্রাউজার দেখা যাবে।
২ Ctrl+C, Ctrl+X, Ctrl+V যথাক্রমে, কোন টেক্সট, ফাইল বা ছবি কপি, কাট ও পেস্ট করতে। কপি করলে আগের তথ্য যথাস্থানে থেকে যাবে। কাট করলে শুধু নতুন জায়গায় থাকবে।
৩ Ctrl+F বর্তমান পেইজে সার্চ করতে
৪ Alt+Tab খোলা উইন্ডোগুলো একটার পর একটায় যেতে। যেমন ব্রাউজার থেকে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ইত্যাদি। উইন্ডো দুইয়ের বেশি হলে চেঞ্জ করার জন্যে Alt চেপে ধরে ট্যাব চেপে যেতে হবে।
কোনটা মিস হয়ে গেলে Alt+Shift+Tab চাপতে হবে। বেকই উইন্ডোর বিভিন্ন ট্যাবে (যেমন ব্রাউজারে) স্থানান্তরের জন্যে চাপতে হবে Ctrl+Tab। উল্ট দিকে যেতে Ctrl+Shift+Tab।
৫ Ctrl+P প্রিন্ট করার জন্যে। ওয়ার্ড ফাইল থেকে পিডিএফ ফাইল বানাতেও এটি কুইক বাটন হিসবে কাজ করবে।
৬ Ctrl+T বিশেষত ব্রাউজারে নতুন ট্যাব খুলতে। ব্যাক বা ফরোয়ার্ডে যেতে Ctrl চেপে যথাক্রমে বাম ও ডান অ্যারো চাপতে হবে। চলমান ট্যাবে সার্চ বা ঠিকানা লিখতে Ctrl + L।
৭ Alt+F4 চলমান প্রোগ্রাম বন্ধ করতে। ট্যাব বা ফাইল বন্ধ করতে Ctrl+W।
৮ Windows Key + L পিসি লগ অফ করতে, যাতে অন্য কেউ এক্সেস না পায়।
৯ Ctrl+Alt+Delete টাস্ক ম্যানেজারে যেতে। এতে অনেক সময় সাড়াহীন (unresponsive) প্রোগ্রাম থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
১০ এই অপশন উইন্ডোজ 8 এর জন্যেঃ
ক) Windows Key + C
খ) Windows Key + D
গ) Windows Key + X
ক) ডান পাশ থেকে চার্মস বার আনতে।
খ) ডেস্কটপে আসা-যাওয়ার জন্যে
গ) পাওয়ার অপশনসহ অনেক কিছু

তথ্যসূত্রঃ howtogeek

শনিবার, ১৩ জুন, ২০১৫

ফ্রেঞ্চ কথোপকথনঃ পর্ব-১


ফ্রেঞ্চ ভাষার বিরুদ্ধে অভিযোগ, এই ভাষাটি অসম্ভব কঠিন। আসলে পৃথিবীতে সহজ বলতে কিছুই নেই। আবার চেষ্টা করলেও শেখা যাবে না- এমন কিছুই নেই। তাই আশাহতদের দল ত্যাগ করে চলে আসুন আশাবাদীদের দলে।
এখানে আমরা বেসিক কিছু কথাবার্তা শিখবো। এটা ঠিক যে ফরাসী ভাষার উচ্চারণ একটু কঠিন। তবে অবশ্যই শিখতে না পারার মতো নয়। এখানে প্রদত্ত কথাগুলোর সঠিক উচ্চারণ শুনতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিন।


ফ্রেঞ্চ বাংলা ইংরেজি
salut এই যে! এই! hi
bienvenue স্বাগতম! welcome
bonjour শুভ দিন good day (greeting)
bonsoir শুভ সন্ধ্যা good evening/night (greeting)
bonne শুভ দিন (বিদায়) good day (farewell)
bonne soirée শুভ সন্ধ্যা (বিদায়) good evening/night (farewell)
bonne nuit শুভ রাত্রি good night (farewell)
comment allez-vous ? কেমন আছেন? how are you? formal
comment vas-tu ? কেমন আছো? how are you? informal
-bien ভালো -good
-pas mal ভালো না -not bad
ça va ? informal কেমন চলছে তোমার? how's it going? informal
-oui, ça va informal ভালোই যাচ্ছে it's going good
-ça va pas informal তেমন ভালো না it's not going too well
au revoir পরে দেখা হবে see you later
à bientôt শিগগিরই দেখা হচ্ছে see you soon
à tout à l'heure “ see you soon
s'il vous plait প্লিজ please
s'il te plaît informal “ “
merci ধন্যবাদ thank you
de rien স্বাগতম you're welcome
excusez-moi আচ্ছা, ... (প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে) excuse me (asking a question)
excuse-moi (informal) “ “
pardonnez-moi এক্সকিউজ মি/ একটু দেখিতো/ স্যরি। (কারো সাথে ধাক্কা লাগলে বা সরিয়ে পথ করে নিতে হলে) excuse me - bumping into someone, or moving through people
pardonne-moi informal “ “
pardon “ “
felicitations অভিনন্দন! congratulations
bonne chance ভালো থেকো good luck
monsieur স্যার, জনাব sir
madame ম্যাডাম madam
mademoiselle মিস miss

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০১৫

কি বোর্ড দিয়ে ব্রাউজিং শর্টকাট


কোন কারণে আপনার পিসির মাউস কাজ করছে না বা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে? তাই বলে তো আর ব্রাউজিং বসে থাকতে পারে না। কি বোর্ডেই চালিয়ে নেওয়া যায় কাজ।
নিচের শর্টকাটগুলো অধিকাংশ ব্রাউজারেই কাজ করবে। তবে, ২/১ টি শর্টকাট হয়ত কোনো কোনো কাজ করবে না।

শর্টাকাট কাজ
Ctrl+1-8 ১-৮ পর্যন্ত বিভিন্ন ট্যাবে স্থানান্তর (বাঁ থেকে)
Ctrl+9 সর্বশেষ ট্যাবে যেতে
Ctrl+Tab পরবর্তী ট্যাবে যেতে
Ctrl+Shift+Tab আগের ট্যাব
Ctrl+W বা Ctrl+F4 বর্তমান ট্যাব বন্ধ করতে
Ctrl+Shift+T এইমাত্র বন্ধ করা ট্যাব পুনরায় খুলতে
Ctrl+T নতুন ট্যাব
Ctrl+N ব্রাউজারে নতুন উইন্ডো খুলতে
Alt+F4 বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করতে (এই শর্টকাট যে কোন প্রোগ্রামের জন্যেই কাজ করে)
Alt+Left Arrow বা Backspace আগের পেইজে ফিরে যেতে
Alt+Right Arrow, Shift+Backspace কোন পেইজ থেকে ফিরে এলে আবার সেই পেইজে যেতে
F5 রিলোড তথা নতুন করে লোড করতে
Ctrl+F5 Cache বাদ দিয়ে নতুন করে রিলোড। cache হলো সাইট কতৃক পিসিতে সেভ করে রাখা কিছু তথ্য যাতে পৃষ্ঠা দ্রুত লোড হয়। এইজন্যে দেখবেন, আগে ভিজিট করা হয়েছে এমন সাইট দ্রুত লোড হয়। 
Escape থামাতে
Alt+Home ব্রাউজারের মূল পাতা
Ctrl এবং + পৃষ্ঠার টেক্সট বড় করা
Ctrl এবং + পৃষ্ঠার টেক্সট ছোট করা
Ctrl+0 টেক্সটের স্বাভাবিক আকার নিয়ে আসা
F11 ফুল স্ক্রিন
F11 এক ফ্রেইম নিচে নামা
Shift+Space, Page Up এক ফ্রেইম উপরে
Home পৃষ্ঠার একেবারে উপরে
End পৃষ্ঠার নিচে
Ctrl+L , Alt+D, F6 ওয়েব এড্রেস টাইপিং
Alt+Enter নতুন টাইপ করা ওয়েবসাইট নতুন ট্যাবে খোলা
Ctrl+K , Ctrl+E ওয়েব সার্চ
Ctrl+F , F3 পৃষ্ঠার কোন টেক্সট খুঁজে বের করতে
Ctrl+G , F3 পেইজ সার্চের পরবর্তী ফলাফল
Ctrl+Shift+G , Shift+F3 পেইজ সার্চের আগের ফলাফলে ফিরে যেতে
Ctrl+H ব্রাউজিং ইতিহাস
Ctrl+J ডাউনলোড তালিকা ও ইতিহাস
Ctrl+D বর্তমান পেইজটি বুকমার্ক করতে
Ctrl+P বর্তমান পেইজ প্রিন্ট করতে
Ctrl+S বর্তমান পেইজটি পিসিতে সেইভ করতে
Ctrl+O পিসি থেকে কোন ফাইল বের করতে
Ctrl+U বর্তমান পেইজের সোর্স কোড দেখতে

সূত্রঃ howtogeek

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০১৫

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান

 [১০ মার্চ, ২০১৫ পর্যন্ত]
মোট ম্যাচঃ ২৯৪
বিজয়ঃ ৮৫ ম্যাচে
পরাজয়ঃ ২০৫ ম্যাচে
ফলাফল নেই; ৪ ম্যাচ
সর্বোচ্চ স্কোরঃ ৩২৬/৩,  বিপক্ষ পাকিস্তান , ঢাকা-২০১৪
সর্বনিম্ন স্কোরঃ ৫৮, বিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারত
বিপক্ষ দলের সর্বোচ্চ স্কোরঃ ৩৯১/৪, ইংল্যান্ড, ২০০৫
বিপক্ষ দলের সর্বনিম্ন স্কোরঃ ৪৪, জিম্বাবুয়ে , ২০০৯ (চট্টগ্রাম)
সর্বোচ্চ রানের ব্যাবধানে বিজয়ঃ ১৬০ রানে। ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে
সবচেয়ে বেশি উইকেটে বিজয়ঃ ৯ উইকেটে, ২০০৬সালে কেনিয়ার বিপক্ষে 
সবচেয়ে কম রানে জয়ঃ ৩ রানে, ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে
সবচেয়ে কম উইকেটে জয়ঃ ১ উইকেটে। ২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে
সবচেয়ে বেশি ম্যাচঃ মোহাম্মদ আশরাফুল (১৭৫ ম্যাচ)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অধিনায়কত্বঃ হাবিবুল বাশার সুমন (৬৯)
সবচেয়ে বেশি ম্যাচে উইকেট কিপারঃ মুশফিকুর রহিম, ১৪০+ ম্যাচে
সর্বোচ্চ ব্যক্তিগইত স্কোরঃ ১৫৪, তামিম ইকবাল
সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরিঃ সাকিব আল হাসান (৬টি)
দ্রুততম সেঞ্চুরিঃ ৬৩ বলে (সাকিব আল হাসান)
দ্রুততম ফিফটিঃ ২১ বলে (মোহাম্মদ আশরাফুল)
সবচেয়ে বেশি উইকেটঃ ২০৭ (আব্দুর রাজ্জাক)
বেস্ট অভিষেক বোলিংঃ ৫/২৮ (তাসকিন, বিপক্ষ ভারত)
সবচেয়ে বেশি ক্যাচঃ মাশরাফি মর্তুজা (৪৩ ক্যাচ)
উইকেট কিপার হিসেবে বেশি ক্যাচঃ মুশফিকুর রহিম ( ১০২)
সবচেয়ে বেশি স্ট্যাম্পিংঃ মুশফিকুর রহিম (৩৬ বার)
হ্যাট্রিকঃ শাহাদাত হোসাইন (২০০৬, জিম্বাবুয়ে), আব্দুর রাজ্জাক (২০১০, জিম্বাবুয়ে), রুবেল হোসেন (২০১৩, ওয়েস্ট ইন্ডিজ), তাইজুল ইসলাম (২০১৪, জিম্বাবুয়ে)

শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

টেস্ট ক্রিকেটে সর্বনিম্ন রানের দলীয় স্কোর

এখানে আমরা দেখবো, টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে কোন দলগুলো এক ইনিংসে সবচেয়ে কম রানের মালিক । সবচেয়ে কম রানের রেকর্ডটির মালিক মাত্র ২৬ রান নিয়ে নিউজিল্যান্ড। ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ড তাদেরকে ২৬ রানে বিদায় করে দিয়ে করা রেকর্ডটি এখনও অক্ষুণ্ণ আছে। লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হচ্ছে, শীর্ষ দশ কম রানের মধ্যে ৫টিই দক্ষিণ আফ্রিকার দখলে। আরেকটি লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হচ্ছে দশ শীর্ষ রেকর্ডের ৮টি ক্ষেত্রেই বিপক্ষ দল ইংল্যান্ড। প্রতিপক্ষকে অল্প রানে বেঁধে ফেলার ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের ইতিহাস বেশ ভালো।
উপমহাদেশের দলগুলোর মধ্যে একমাত্র ভারতের সর্বনিম্ন ১০টি ইনিংসের একটি আছে। 
 সারণিঃ টেস্টে এক ইনিংসে কম রানের দলীয় ইনিংসঃ
দল রান বিপক্ষ সন
নিউজিল্যান্ড ২৬ ইংল্যান্ড ১৯৫৫
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০ ইংল্যান্ড ১৮৯৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০ ইংল্যান্ড ১৯২৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫ ইংল্যান্ড ১৮৯৯
দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৬ অস্ট্রেলিয়া ১৯৩২
অস্ট্রেলিয়া ৩৬ ইংল্যান্ড ১৯০২
নিউজিল্যান্ড ৪২ অস্ট্রেলিয়া ১৯৪৬
অস্ট্রেলিয়া ৪২ ইংল্যান্ড ১৯৮৮
ভারত ৪২ ইংল্যান্ড ১৯৭৪
দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৩ ইংল্যান্ড ১৮৮৯

সূত্রঃ সর্বনিম্ন রানের সবগুলো স্কোর দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বিদেশি ভাষা শিখে লাভ কী?

আমাকে ইদানিং বিদেশি ভাষা শেখার বাতিকে পেয়েছে। ইংরেজিতে তো আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি। ধর্মীয় কারণে পরিচয় আছে আরবি ভাষার সাথে। অন্যতম সহজ ও ব্যবহৃত ভাষা হিসেবে স্প্যানিশ শেখার চেষ্টায় আছি। উর্দু, হিন্দিতো কাছাকাছি ভাষা। আশা করি, এক সময় ফ্লুয়েন্ট হতে পারবো, ইনশা'আল্লাহ।  অন্য ভাষাগুলো শিখতে না পারলেও যাতে অন্তত পড়তে পারি, সে জন্য বর্ণমালা ও তাদের উচ্চারণ শেখার চেষ্টা করছি। যেমন রুশ, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ইত্যাদি।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ভাষা শিখে লাভ কী? এই প্রশ্নের জবাব নিয়েই এই পোস্ট।
কারণ ১- ভ্রমণঃ
আপনি কোন দেশ বা অঞ্চল ঘুরতে গেলেন। যখন আপনি তাদের স্থানীয় ভাষায় কথা বলতে পারবেন, তখন তাদের সাথে মিশতে পারবেন সহজেই। তারাও আন্তরিকতা দেখাবে। ভালো ধারণা লাভ করতে পারবেন তাদের সংস্কৃতি সম্পর্কেও।
কারণ ২- চাকুরীঃ
আপনি যদি বিদেশে জব করতে চান, তবে সেদেশের ভাষা জানা আপনাকে অন্যদের চেয়ে অবশ্যই এগিয়ে রাখবে।
কারণ ৩- ব্রেইন চর্চাঃ
অনেকেই বলেন, গেমস খেললে অনেক বুদ্ধি বাড়ে। হয়তো বাড়ে বটে! তবে, সেটা সীমাবদ্ধ থাকে গেমের জগতেই। গেমে ভিলেন মারার মাধ্যমে আপনি বাস্তবের ভিলেনকে মারতে পারবেন না। কিন্তু, একটি বিদেশি ভাষা শিখতে গেলে ব্রেনের ভালো চর্চা হয়, কর্মক্ষমতা বাড়ে। আর, পরিশ্রমও বিফলে যায় না। Claude Hagège  এর মতে একভাষী (Monolingual) লোকের চেয়ে দ্বিভাষী (Bilingual) লোকদের বোধশক্তি ভালো থাকে।
পাশাপাশি নতুন ভাষা শেখার মাধ্যমে verbal intelligence, conceptual training এবং যুক্তি প্রদানের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সহজেই বের করা যায় বাস্তব জীবনের অন্য সমস্যারও সমাধান।
কারণ ৪ -ভাষার সৌন্দর্য্যঃ
প্রত্যেকটি ভাষাই সুন্দর। এদের রয়েছে দারুণ গঠন, শব্দাবলী, ব্যাকরণশৈলী ও ছন্দ। আসলে, মন থেকে কোন ভাষা শিখতে চাইলে এদের সৌন্দর্যে বিমোহিত না হয়ে উপায় নেই। একই শব্দের অর্থ যখন অনেকগুলো ভাষায় আপনি জানবেন, তখন হৃদয়ে পুলক অনুভব না করলে আমাকে বলবেন।
কারণ ৫- কৌতূহলঃ
বিভিন্ন সভ্যতা ও সংস্কৃত সম্পর্কে জানার আগ্রহই হলো কৌতূহল। এর মাধ্যমে প্রসারিত হবে আপনার হৃদয়, বাড়বে সহিষ্ণুতা, এবং আত্মোপলদ্ধি ঘটবে নিজের পরিচয় সম্পর্কে।
কারণ ৬ -জ্ঞানার্জনঃ
এই কারণটি শেষে বললেও এই গুরুত্ব নিম্নতম নয়। একটি নতুন ভাষা শেখা মানেই আপনার জ্ঞানের পারদ আরেকটু উঁচু হয়ে গেল। দুনিয়াকে বুঝতে হলে, এর ইতিহাস ও বিকাশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে  ভাষা শেখা হতে পারে একটি ভালো সিঁড়ি। ভাষা সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সভ্যতা ও অঞ্চলের মধ্যে তুলনা ও সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারবেন। বিভিন্ন জাতি ও গোত্রের গোড়া খুঁজে পাবেন।
এছাড়া, আমি সব সময়ই মনে করি, জ্ঞানার্জন তথা নতুন কিছু শেখা হচ্ছে সবচেয়ে মজার বিনোদন। জ্ঞানার্জন শুধু একাডেমিক প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নয়। এখানে, সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে জ্ঞানার্জনের হাজারো উপকরণ। এই রকম একটিই হচ্ছে ভাষা।

শেষে বলবো, ভাষা শেখা আপনার মানসিক প্রশান্তির কারণও হতে পারে। কারণ, যে কোন জ্ঞানই মনে প্রশান্তি ঢেলে দেয়। সেটা যখন হয় প্রায়োগিক, তখন তো আর কথাই নেই।
একমত? ভাষা বিষয়ক পোস্টগুলোর পেছনে লেগে থাকুন!