বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠাসমূহ

শনিবার, ১৭ মে, ২০১৪

স্কেটবোর্ড চালানোর কৌশল -পর্ব ২

আগের পর্ব দেখুন 

২.১। মৌলিক দক্ষতা অর্জন


বোর্ডের কোন অবস্থানে আপনার দাঁড়ানো বেশি সহজ তা বের করুন। ভারসাম্য অর্জন ও স্বস্তিদায়ক অনুভূত হওয়া পর্যন্ত বোর্ডে দাঁড়িয়ে থাকায় ক্ষতি নেই।

২.২। 

কোন পা দিয়ে ধাক্কা দেবেন তা ঠিক করুন। অপর পা থাকবে বোর্ডের উপর, আর এই পা আপনাকে ঠেলে নিয়ে যাবে। সহনীয় গতিতে চলুন। প্রথমে একটু ধীরে চলুন।

 

২.৩। হাঁটুকে বাঁকিয়ে নিন। 

এতে করে অভিকর্ষ কেন্দ্র ভূমির নিকটবর্তী হবে এবং আপনি সহজেই ব্যালেন্স রাখতে ও মোড় নিতে পারবেন।


২.৪। মোড় নেওয়া ও থামা চর্চা করুন। 

-যেদিকে মোড় নিবেন সেদিকে আপনার শরীরের ভর নত করুন। 
-থামার জন্য আপনার পেছনের পা মাটিতে ফেলুন অথবা
- বোর্ডের সামনের অংশ মাটির উপরে তুলে ফেলে পেছনের অংশে চাপ দিন। এটা কিছুটা বিপজ্জনক। 
২.৫। ভিডিও দেখা
চর্চার অংশ হিসেবে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখতে পারেন। যেমন ইউটিউবে Skateboarding লিখে সার্চ দিয়ে প্রাপ্ত ভিডিওগুলো দেখতে পারেন। 

স্কেটবোর্ড চালানোর কৌশল -পর্ব ১

এই ধারাবাহিক পর্বে আপনি জানতে পারবেন কীভাবে স্কেটবোর্ডিং করতে হয় বা কীভাবে স্কেটবোর্ড চালাতে হয়। এখানে আলোচনা চলবে স্কেটবোর্ড নিয়ে, রোলার স্কেট নিয়ে নয়। সেটা না হয় অন্য কোথাও শিখবো।

১.১। বাছাই

স্থানীয় স্কেট দোকান বা স্কেটের সাইট ঘুরে দেখুন। এভাবে আপনি জানতে পারবেন কোনটায় কাজ হবে আর কোনটায় হবে না। অন্য স্কেটার বা দোকানীর সাথে আলাপ করলেও জানা যাবে কোন ধরণের বোর্ড, চাকার কেমন সুবিধা, অসুবিধা।
লক্ষ্যণীয় বিষয় হল-
- দাম বেশি হলেই যে মান ভালো হবে তা নয়।
- চাকাকে রানিং রাখতে হলে প্রায় ৬ মাস পর পর চাকার বিয়ারিং পাল্টানো দরকার।

১.২। ক্রয়

পূর্বাভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে বা কোন বন্ধুকে সাথে নিয়ে কিনে ফেলুন স্কেটবোর্ড।
-সাথে লাগবে মানানসই পোশাক ও জুতা।
-স্কেট জুতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যাতে আপনি সহজেই বিভিন্ন দিকে পা নাড়াতে পারেন। অন্যথায় পড়ে যাবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
-সাথে লাগবে অন্যান্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যেমন হেলমেট, হাঁটুর প্যাড, কনুইএর প্যাড। এতে করে পতন ও দূর্ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকা যাবে।

১.৩। বুঝতে শিখুন

কীভবে স্কেটবোর্ড নত হয়, বাঁকা হয়, চাকারা কীভাবে ঘোরে বোঝার জন্য সময় নিন। আপনার বাড়ির লনে বা ভালো সমতল মাঠে নেমে বুঝতে শিখুন কীভাবে বোর্ড কাজ করে। এর জন্য সমতল, কংক্রিটের জায়গা উত্তম। খেয়াল রাখতে হবে যেন চলার পথে কোন ফাটল, গর্ত, ইট বা পাথরের কণা বা টুকরো না থাকে।
-স্কেটিং ভালো পারে এমন কারো কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
--পর্ব ২ দেখুন


বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪

অনলাইনে ফাইল জমা রাখার বেশ কিছু ওয়েবসাইট


১। www.box.com, বিনামুল্যে ১০ গিগা বাইট 
২। www.copy.com ১৫ গিগাবাইট ফ্রি। 
৩। drive.google.com। যেকোনো গুগল অ্যাকাউন্ট থাকলেই গুগল ড্রাইভে উপভোগ করা যায় ১৫ গিগাবাইট ক্লাউড স্টোরেজ
৪। opendrive.com। এটি মাইক্রসফটের। এতে রয়েছে ৭ গিগা বাইট ফ্রি। 
৫। spideroak.com। মাত্র ২ জিবি ফ্রি। 
৬ dropbox.com। এটাও একটি ভালো অপশন। 

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

ইন্টারনেট কানেকশান ছড়া যে ওয়েবসাইট চলে

একটি ওয়েবসাইট আছে যা সাইটের ভাষ্যমতে ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়া চলে। এবং ওয়েবসাইটটি দেখতে হলে ভিজিটরকে ইন্টারনেট কানেকশান অফ করতে হবে। সাইটটি হল allaboutrajni.com। এটা নাকি চলে  রজনী পাওয়ার দিয়ে! অন্তত দেখে তাই মনে হয়।
আপনি যখন ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করবেন তখন আপনাকে একটি বার্তা দেখানো হবে যে-
"এই সাইটে প্রবেশের একমাত্র উপায় হল আপনার ইন্টারনেট কানেকশান অফ করা"


সত্যিই যদি আপনি ইন্টারনেট অফ করেন তবে সাইটটি দেখা যাবে। আবার নেট চালু করলে সাইটটি না দেখা গিয়ে আরেকটি বার্তা দেখাবে। 
আসল ব্যাখ্যাঃ প্রকৃতপক্ষে সাইটটি ইন্টারনেট ছাড়া চলবে না। তাহলে কাজ করে কীভাবে?
সাইটের নির্মাতারা একটু কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন যাতে করে দেখতে এমন মনে হয়। যখনই সাইটটি খোলা হয়, কয়েক সেকেন্ডেই একটি ফ্ল্যাশ ফাইল ওপেন হয়। লুপিং প্রক্রিয়ায় একটি স্ক্রিপ্ট রান হয় যা ইন্টারনেট কানেকশান যাছাই করে এবং কানেকশান অফ করলে স্ক্রিপ্টটি আপনাকে ফাইলটি দেখার সুযোগ দেয় যা আগেই (আপনার প্রথম ভিজিটেই) লোড হয়েছিল। 

কীভবে বুঝবেন সাইটটি আসলে ইন্টেরনেট ছাড়া অচল?
এটা সহজেই চেক করতে হলে প্রথমবার সাইটটি ভিজিট করার আগেই আপনার নেট অফ করে রাখুন। দেখবেন এটি লোড হচ্ছে না। 

বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৪

শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০১৪

ফ্রি ব্লগ/ওয়েবসাইট বানানোর উপায়


ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাতে আপনার দুটি জিনিস প্রয়োজন। এক, একটি ডোমেইন নিবন্ধন করা। ডোমেইন নেইম হচ্ছে আপনার সাইটের ঠিকানা যেখানে গেলে ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবে। যেমন skyphoton.com হল এই ব্লগের ডোমেইন নেইম।
দুই, ওয়েব ফাইল বা তথ্য রাখবার জন্য ওয়েব স্পেস কেনা যাকে বলা হয় হোস্টিং যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আপনার ফাইল গুলো রাখতে পারবেন।
এখন, ফ্রিতে ওয়েবসাইট বা ব্লগ বানানোর অর্থ ডোমেইন এবং হোস্টিং দুইই ফ্রিতে পাওয়া। অবশ্য এমনও করতে পারেন যে, ডোমেইন নিবন্ধন করলেন, কিন্তু হোস্টিং ফ্রিতে রাখলেন।
ফ্রি ডোমেইনের সুবিধাঃ
১। আপনাকে বছর বছর পে করতে হচ্ছে না।
২| বেশিরভাগ ফ্রি ডোমেইন সরবরাহকারীই ফ্রি সাইটবিল্ডিং বা সাইট নির্মাণের সুযোগ দেয়।
ফ্রি ডোমেইনের অসুবিধাঃ
১| আপনার নিজস্ব কোন ঠিকানা থাকলো না। আপনি যখন ফ্রি ডোমেইন ইউজ করবেন তখন আপনার ওয়েব ঠিকানার সাথে Domain Name Provider এর নামও থাকবে। ফলে আপনার স্বাতন্ত্র্য থাকলো না। যেমন ধরুন example.com নামের সাইটটি আপনাকে ফ্রি ডোমেইন দিচ্ছে। তাহলে আপনার ডোমেইন হবে এরকম yourname.example.com যেখানে yourname এর জায়গায় আপনার ইচ্ছামতো দিতে পারবেন কিন্তু শেষে তাদের নাম থাকবেই।
২| অনেক সময় দেখা যায় আপনি ডোমেইনটি নেবার কিছুদিন পর আপনাকে কিনতে বলা হবে। তখন না কিনলে আপনার সুবিধা বাতিল করা হবে।
৩| সার্চ ইঞ্জিন সহায়ক নয়।
বর্তমানে বেশিরভাগ ওয়েবসাইটই ব্লগ স্টাইলে বানানো হয়। মূলত বলা যায়, সকল ব্লগই ওয়েবসাইট কিন্তু সকল ওয়েবসাইট ব্লগ নয়। ফ্রি ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানানো যায় এমন কিছু link নিচে দেওয়া হল।
১| www.blogger.com
২। wordpress.com
৩| www.weebly.com
৪। www.yola.com
৫| www.webs.com
ইত্যাদি সহ আরো অসংখ্যা। পরের পোস্টে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে, ইনশা'আল্লাহ।

বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০১৪

The more we know the more we know that we know less

The quantity of knowledge is infinite. When we know some limited stuffs, we may think there are 'something else' remaining for me to know. But, when we know more, we get to know that the field of knowledge was and is a bit broader. Thus, when keep knowing more and more, we come to know that there enormous fields of knowledge which are outside the purview of our previously known things.
To sum up, as by knowing more, we discover that we have more unknown things than what we thought previously we can agree with the title.
So, let's know that we know less!!

বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০১৪

বাংলাদেশের জাতীয় ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিবস

বাংলাদেশের জাতীয় ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিবস


তারিখ দিবস
১ জানুয়ারি জাতীয় গ্রন্থ দিবস
১৯ জানুয়ারি জাতীয় শিক্ষক দিবস
২ ফেব্রুয়ারি জনসংখ্যা দিবস
২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস
২ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস
৫ এপ্রিল জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস
২১ নভেম্বর সশস্র বাহিনী দিবস
৭ ডিসেম্বর জাতীয় টিকা দিবস
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস
২৪ জানুয়ারি গণঅভ্যুথান দিবস
২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস
২৩ জুন পলাশী দিবস
৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস
৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস
১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস
৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমী দিবস
৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন দিবস

বাংলাদেশের সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের পরিচিতি

দেশের কৃতি সন্তান বীরশ্রেষ্ঠদের পরিচিতি তুলে ধরা হল। এখানে তাঁদের শাহাদাতের ক্রম অনুযায়ী ছক সাজানো হয়েছে।
নাম পদবী জন্ম জন্মস্থান কর্মস্থল মৃত্যু
মুন্সী আব্দুর রউফ ল্যান্স নায়েক মে, ১৯৪৩ বোয়াল্মারী, ফরিদপুর ইপিআর ৮ এপ্রিল, ১৯৭১, রাঙমাটি
মোস্তফা কামাল সিপাহী ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৪৭ পশ্চিম হাজিপুর, ভোলা সেনাবাহিনী ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
মতিউর রহমা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ২৯ নভেম্বর, ১৯৪২ রায়পুরা, নরসিংদী বিমানবাহিনী ২০ আগষ্ট, ১৯৭১
নূর মোহাম্মদ ল্যান্স নায়েক ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬ নড়াইল ইপিআর ৫ সেপ্টেম্বর
হামিদুর রহমান সিপাহী ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩ মহেশপুর, ঝিনাইদহ সেনাবাহিনী ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১
মোহাম্মফ রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার ১৯৩৪ বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী নৌবাহিনী ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন ১৯৪৮ বাবুগঞ্জ, বরিশাল সেনাবাহিনী ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১