বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠাসমূহ

বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

টেস্ট ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের ব্যক্তিগত রেকর্ডগুলো


এখন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কীর্তিমান ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারাই টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহের রেকর্ডটি ঝুলিতে পুরে রেখেছেন। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৪০০ রান করে তিনি অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যান ম্যাথু হেইডেনের ৩৮০ রানের রেকর্ড ভেঙ্গে দেন। তৃতীয় স্থানেও আছেন তিনিই। ১৯৯৪ সালে থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ৩৭৫ রান নিয়ে তিনিই ছিলেন শীর্ষে।  একই প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই তিনি ঐ সংগ্রহ করেছিলেন যা ২০০৩ সালে হেইডেন ভেঙ্গে দেন।
৩৭৪ ও অপরাজিত ৩৬৫ নিয়ে তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছেন যথাক্রমে শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনে ও ব্রায়ান লারার স্বদেশী কিংবদন্তি ক্রিকেটার গ্যারি সোবার্স।
উপমহাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ৩৩৭ রান নিয়ে সবার উপরে আছেন পাকিস্তানের হানিফ মোহাম্মদ। এছাড়াও ইনজামাম উল হক ও ভিরেন্দর শেহওয়াগের যথাক্রমে ৩২৯ ও ৩১৯ রানে রেকর্ড আছে। সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান ডন ব্রাডম্যানের ৩৩৪ রানের একটি রেকর্ড থাকলেও শচীন টেন্ডুলকারের কিন্তু ত্রিশতকের কোন ইনিংস নেই।
নিচে টেস্টের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসগুলো ছক আকারে দেওয়া হল।
ব্যাটসম্যান
রান
দল
বিপক্ষ
সন
ব্রায়ান লারা
৪০০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ইংল্যান্ড
২০০৪
ম্যাথু হেইডেন
৩৮০
অস্ট্রেলিয়া
জিম্বাবুয়ে
২০০৩
ব্রায়ান লারা
৩৭৫*
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ইংল্যান্ড
১৯৯৪
মাহেলা জয়াবর্ধনে
৩৭৪
শ্রীলংকা
দঃ আফ্রিকা
২০০৬
গ্যারি সোবার্স
৩৬৫
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
পাকিস্তান
১৯৫৮
এল হাটন
৩৬৪
ইংল্যান্ড
অস্ট্রেলিয়া
১৯৩৮
সনাথ জয়সুরিয়া
৩৪০
শ্রীলংকা
ভারত
১৯৯৭
হানিফ মোহাম্মদ
৩৩৭
পাকিস্তান
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৯৫৮
ওয়ালি হ্যামন্ড
৩৩৬*
ইংল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড
১৯৩৩
মার্ক টেইলর
৩৩৪*
অস্ট্রেলিয়া
পাকিস্তান
১৯৯৮

সূত্রঃ ইএসপিএন ক্রিকইনফো

সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

এপিজে আব্দুল কালামের কিছু উক্তি

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম। তাঁর অনবদ্য কিছু উক্তিঃ
১। তোমার প্রথম বিজয়ের পর বিশ্রাম নিয়ো না, কারণ পরেরটায় ব্যর্থ হলে মানুষ বলবে আগেরটা ছিল দূর্ঘটনা।
২। সব পাখি বৃষ্টির সময় আশ্রয় খোঁজে, আর ঈগল মেঘের উপরে উঠে বৃষ্টি এড়িয়ে যায়।
৩। সফলতার বাসনা যদি যথেষ্ট শক্তিশালী হয়, তবে, ব্যর্থতা কখনো গ্রাস করবে না।
৪। সফলতা উপভোগ করতে হলে জীবনে কষ্ট করা দরকার।
৫। সূর্যের মত আলো দিতে চাইলে সূর্যের মত জ্বলতে হবে।
৬। কাউকে পরাজিত করা সহজ, কিন্তু জয় করা কঠিন।
৭। আমাদের সবার সমান মেধা নেই, কিন্তু মেধা অর্জন করার সমান সুযোগ আছে।
৮। জীবনে যত উত্থান পতনই আসুক না কেন, চিন্তা-গবেষণাকেই মূল পুঁজি বানাতে হবে।

আবুল পাকির জয়নুল আবেদিন আবদুল কালাম ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং সেদেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী। তিনিই ভারতে প্রথম পারমানবিক বোমা বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ করেন। তার জন্ম ১৯৩১ সালে, ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের রামেশ্বরমে। তিনি ছিলেন চেন্নাইয়ের আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকনোলজি অ্যান্ড সোসাইটাল ট্রান্সফরমেশনের অধ্যাপক। তিনি অগ্নি, পৃথ্বী, আকাশ, ত্রিশুল ও নাগ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করেন যা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তির দিক থেকে ভারতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করে।
তিনি ভারতের মিসাইল ম্যান নামে খ্যাত।
সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটিগুলো


এ বি ডিভিলিয়ায়ররস
গত ১৮ জানুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যান এবি ডিভিলিয়ার্স ১৬ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে সনাথ জয়সুরিয়ার ১৭ বলে ফিফটির রেকর্ড ভাঙ্গেন। এখানে দ্রুতম পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরির তথ্য দেওয়া হল। উল্লেখ্য, প্রথম ৬ টি ফিফটির ৩টিই পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদির দখলে।
নাম
রান
বল
ছক্কা
চার
বিপক্ষ
ভেন্যু
সন
এ বি ডিভিলিয়ায়ররস
১৪৯
১৬
১৬
৯
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
জোহানেসবার্গ
২০১৫
সনাথ জয়সুরিয়া
৭৬
১৭
৫
৮
পাকিস্তান
সিংগাপুর
১৯৯৬
এসপি ও ডনেল
৭৪
১৮
৬
৪
শ্রীলংকা
শারজাহ
১৯৯০
শহীদ আফ্রিদি
১০২
১৮
১১
৬
শ্রীলংকা
নাইরোবি
১৯৯৬
শহীদ আফ্রিদি
৫৫*
১৮
৬
৪
নেদারল্যান্ড
কলোম্বো
২০০২

সূত্রঃ ইএসপিএন ক্রিকইনফো

রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫

গুগোলের লাভ বাড়ল ৩০ ভাগ


গুগোল এবার লাভ করেছে ৪৭৬ কোটি ডলার যা আগের বছরের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি । তবে অর্জিত হয়নি লক্ষ্যমাত্রা। আমেরিকার অন্য প্রতিষ্ঠানের মতই তাকেও পড়ত ডলারের দরপতনের মুখে। গুগোল বলেছে, ফরেইন এক্সেঞ্জ হার যদি অনুকূলে থাকতো, তবে তাদের লাভ হতো ৫৪১ ডলার বেশি। বিবিসি
মোবাইল অ্যাডের মাধ্যমে গুগোলের আয় কমেছে ৩ শতাংশ। অথচ বর্তমানে বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীই মোবাইলের দিকে ঝুঁকছেন। ফলে, গুগোলের বিনিয়োগকারীরা কিছুটা চিন্তিত হচ্ছেন।

সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৪

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের ধ্বংসের কারণ হতে পারেঃ স্টিফেন হকিং

প্রফেসর স্টিফেন হকিং বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) বা এআই মানুষের বিনাশ ঘটিয়ে দিতে পারে। খবর, বিবিসির।

সম্প্রতি তাঁর যোগাযোগকে আরও সহজ করার জন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। এটা সেট আপ করার পরে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এআই আমাদের জীবনকে সহজ করছে, কিন্তু পাশাপাশি ঝুঁকি কিন্তু থেকে যাচ্ছেই।
বর্তমান সময়ের এই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী কথা বলেন স্পীচ সিন্থেসাইজারের মাধ্যমে।
প্রযুক্তির উত্তোরত্তর সমৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে প্রযুক্তির কাছেই মানুষের হার মানার শঙ্কা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আরো পড়ুন এখানে।

বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৪

দারণ ও প্রয়োজনীয় কিছু অ্যান্ড্রয়েড আপস

১. বাংলা ডিকশনারি অফলাইনঃ
এখন প্লেস্টোরে অনেকগুলো ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস পাওয়া যায়। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো এই বাংলা ডিকশনারি অফলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি। এই অ্যাপসে অনলাইন এবং অফলাইন দুই মুডেই ব্যবহার করা যায়। সমার্থক শব্দ, শব্দের অর্থের উচ্চারণ সহ বেশ কিছু চমৎকার ফিচার রয়েছে। ইন্টারফেস দেখেও মুগ্ধ হবে ব্যবহারকারীরা। ইন্টারনেট কানেকশন যদি না থাকে তাহলে অটো অফলাইন মুডে চলে যাবে এবং শব্দের ফলাফল খুজে বের করে দিবে। ট্যাবলেট এবং ফ্যাবলেটেও এই অ্যাপস ব্যবহার করা যাবে অনায়াসেই। কোন বাংলা ফন্ট ইন্সটল না থাকলেও এই অ্যাপসের বাংলা শব্দগুলো পড়া যাবে সমস্যা ছাড়াই। প্রতিনিয়ত আপডেট হওয়া এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের সাইজ মাত্র ৩ মেগাবাইট। ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায়। 
২. বাংলায় বাংলাদেশের সংবিধানঃ

বাংলাদেশ কন্টসটিটিউশন বাংলা নামের এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে বাংলাতে বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। নাগরিকদের অধিকার, ব্যাসিক সাংবিধানিক নিয়ম কানুন সহ অনেক তথ্যবহুল এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি। অনেকগুলো ভাগে বিভক্ত  করা হয়েছে তথ্যগুলো। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, প্রস্তাবনা, প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, মৌলিক অধিকার, নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন ইত্যাদি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েডের সকল তথ্য। প্রতিটি ভাগের আবার সাববিভাগ রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধান জানার জন্য এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস সাধারণ নাগরিকের জন্য যথেষ্ট। ১ মেগাবাইটের এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায়
৩. এডোবি রিডারঃ
ই-বুক পড়তে চান? কষ্ট করে পিসি অন করার দরকার নেই। আপনার কাঙ্ক্ষিত ই-বুক ফোনে ভরে নিন। ইন্সটল করে নিন  Adobe Reader। দারুন এই অ্যাপ আপনার অ্যান্ড্রয়েডে ইন্সটল করতে এখানে ক্লিক করুন।
[Post to be updated shortly]

 

শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

এইচটিএমএল কোর্স ৬ষ্ঠ পর্বঃ প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদ তৈরি

এইচটিএমএলে (html) একটি প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদ তৈরির জন্য <p> ট্যাগ ব্যবহার করতে হয়। একটি সাধারণ উদাহরণ দেখুন। এইচটিএমএল এর অনুচ্ছেদ কোডগুলো ছবিতে দেখানো হল।
এইচটিএমএল প্রদর্শনঃ
* এইচটিএমএল দিয়ে টেক্সট ঠিক কিভাবে প্রদর্শিত হবে তা বলা যাবে না। কারণ, এটা নির্ভর করবে মনিটর, স্ক্রিন বা উইন্ডোজের আকারের উপর। অর্থ্যাৎ অনুচ্ছেদে কয়টি লাইন থাকবে তা স্ক্রিনের উপর নির্ভর করবে।
* আপনি আপনার অনুচ্ছেদে অনেকগুলো লাইন তৈরি করলেও যদি সেগুলো এক লাইনে এঁটে যায় তবে ব্রাউজার তাই করবে।
* আপনি শব্দের মাঝে মাঝে বেশি বেশি স্পেস (Space) ব্যবহার করলেও ব্রাউজার তাকে একটি স্পেসে রূপান্তরিত করবে।
 যেমনঃ 
 উপরোক্ত এইচটিএমএল কোডের ফলাফলঃ
তাহলে এর কি কোন সমাধান নেই? 
আছে।
একটি এইচটিএমএল ট্যাগ আছে </br>। এই ট্যগকে বলা হয় লাইন ব্রেক। এটা হল কি-বোর্ডে এন্টার (Enter) চাপার মত। </br> যুক্ত করলেই পরের অংশ চলে যাবে নিচের লাইনে।
আরেকটি সমাধানঃ
আরেকটি ট্যাগ আছে <pre>। এর কাজ হল সোর্স কোড যেভাবে লেখা হয়েছে প্রদর্শনীতে সে বিন্যাস ধরে রাখা।


এইচটিএমএল কোর্স ৫ম পর্বঃ লিঙ্ক তৈরি

লিঙ্ক ওয়েব পেজের অন্যতম অংশ। প্রোগ্রামিং এর ভাষায় বলে হাইপারলিঙ্ক। আমরা অনেক সময় ওয়েব পেজে দেখি লেখা থাকে এখানে ক্লিক করুন, Click Here ইত্যাদি যেখানে ক্লিক করলে ব্রাউজার অন্য পাতায় চলে যায়। অনেক সময় আবার 'এখানে ক্লিক করুন', 'Click Here'ধরণের কথা থাকে না, কোন শব্দ বা শব্দগুচ্ছই লিঙ্ক হিসেবে কাজ করে। এর সবচেয়ে ভালো উদাহরণ উইকিপিডিয়া।
 লিঙ্কের ট্যাগ হল <a>। 
এইচটিএমএল লিঙ্ক তৈরির কোডঃ
কোড কপি করতে কোডের ওপর মাউস রেখে ডান পাশের <> চিহ্নে ক্লিক করুন।
এখানে url এর স্থলে ওয়েবপেজের ঠিকানা বসবে। 
যেমনঃ
কোড কপি করতে কোডের ওপর মাউস রেখে ডান পাশের <> চিহ্নে ক্লিক করুন।
আরো কাস্টোমাইজেশনঃ
* ব্রাউজারকে নতুন ট্যাব খুলতে বাধ্য করা। এতে লিঙ্কে ক্লিক করলেই ব্রাউজার আগের ট্যাব আগের মত রেখে নতুন লিঙ্ক নতুন ট্যাবে খুলবে। এর জন্য target Attribute ব্যবহার করতে হবে। তবে, HTML5 এটি সমর্থন করে না।
কোড কপি করতে কোডের ওপর মাউস রেখে ডান পাশের <> চিহ্নে ক্লিক করুন।

এইচটিএমএল কোর্স ৪র্থ পর্বঃ হেডিং (Heading)

স্বাভাবিকের চেয়ে বড় অক্ষরে শিরোনাম লিখতে হেডিং ব্যবহার করতে হয়। হেডিং এর জন্য ট্যাগ হল ৬ টি। <h1> সবচেয়ে বড় থেকে ক্রমান্বয়ে ছোট ও ক্ষুদ্রতম <h6>।
তবে, হেডিং কে শিরোনামের কাজেই ব্যবহার করতে হবে, টেক্সট বড় বা বোল্ড করার জন্য নয়। ওয়েব পেইজ ইন্ডেক্স করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন হেডিং দেখে। প্রতিটি লাইনের নিচে রেখা টানার জন্য <hr> ট্যাগ ব্যবহার করুন। 
নিচে একটি রেখা সহ ৬ টি হেডিং এর কোড ও ফলাফল ছবিতে দেখানো হল। 
কোড কপি করতে কোডের ওপর মাউস রেখে ডান পাশের <> চিহ্নে ক্লিক করুন।

তবে, এইচটিএমএল হেডিং এর সাথে <head> ট্যাগের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। হেড ট্যাগ আমরা অন্য পাঠে দেখবো।

html (এইচটিএমএল) কোর্স ২য় পর্বঃ নোটপ্যাডে এইচটিএমএল চর্চা

অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মত html চর্চা করতে চাইলে আপনাকে কোন কম্পাইলার ডাইনলোড ও ইন্সটল করতে হবে না। আপনার নেট কানেকশন থাকাও কোন শর্ত নয়। তবে, ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে আলাদা কথা। আপনার পিসিতে থাকা নোটপ্যাডই এইচটিএমএল কম্পাইলার হিসেবে উপযুক্ত। চলুন, দেখা যাক কিভাবে?
১. নোটপ্যাড খুলুন। ক্লিক করুন Start > All Programs > Accessories > Notepad।
অথবা Start এ ক্লিক করে Notepad লিখে এন্টার চাপুন।
২. এতে কিছু এইচটিএমএল কোড লিখুন। যেমন এ রকম। আরো কোড পাবার জন্য আমাদের এইচটিএমএল কোর্স দেখুন।
৩. এবার ফাইলটি Save করুন।  File -> Save as
অথবা এভাবেঃ কি-বোর্ডে Ctrl + S চাপুন। Save করার সময় অবশ্যই এক্সটেনশন হিসেব .html বা .htm দিন। সাধারণত আগে থেকে *.txt থাকে। এখানে * এর স্থলে যে কোন নাম এবং .txt এর বদলে .html বা .htm দেবেন।
৪. এবার ফাইলটি যেখানে সেভ করেছেন, সেখানে গিয়ে সেটি খুলুন। আবার Edit করতে চাইলে Right ক্লিক দিয়ে Open With থেকে Notepad বাছাই করুন।