বিশ্ব.কম হোম, বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

পৃষ্ঠাসমূহ

বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করার কিছু কৌশল

[এই পোস্টটি প্রতিনিয়ত আপডেট হবে।]

আপনার মূল্যবান একাউন্ট হাতছাড়া হবার প্রথম দেয়াল শক্তিশালী পাসওয়ার্ড। পাসওয়ার্ড যত শক্তিশালী হবে, হ্যাকার বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থেকে আপনি তত বেশি সুরক্ষিত। তাই সব একাউন্টে জোরালো পাসওয়ার্ড থাকা জরুরী।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এর বৈশিষ্ট্যঃ
* অন্তত আট অক্ষর দীর্ঘ
* আপনার ইউজার নেইম, নিজস্ব নাম, ফোন নাম্বার বা কোম্পানির নাম হবে না।
* পূর্ণাংগ কোন শব্দ থাকবে না।
* আগের পাসওয়ার্ড থেকে বেশ আলাদা।
* নিচের সব ধরণের অক্ষরের সমাবেশ ঘটবে।
Character category
Examples
বড় হাতের অক্ষর                       
A, B, C
ছোট হাতের অক্ষর
a, b, c
সংখ্যা
0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9
কি-বোর্ডের এই চিহ্নগুলো
` ~ ! @ # $ % ^ & * ( ) _ - + = { } [ ] \ | : ; " ' < > , . ? /

উপরের বৈশিষ্ট্যগুলো থাকার পরেও কোন পাসওয়ার্ড দুর্বল হতে পারে। যেমন Hello2U!। এটাকে এভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে H3ll0 2 U!। হ্যাঁ, পাসওয়ার্ডে স্পেস ব্যবহার সিদ্ধ। 
পাসওয়ার্ড মনে রাখার কিছু কৌশলঃ
* কোন বড় বাক্যকে সগক্ষিপ্ত করে নিন। যেমন I would like to drink fresh water. এটা থেকে বানিয়ে নিন Iwl2dfw। 
*পাসওয়ার্ড কোথাও লিখে রাখতে চাইলে অবস্যই দেখতে হবে, জায়গাটি কত টুকু নিরাপদ। 
Source:
1. http://windows.microsoft.com/en-us/windows-vista/tips-for-creating-a-strong-password

সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

জিমেইলের মেইল আটো ফরওরার্ড করার উপায়


অনেক সময় আমাদের একাধিক ইমেইল ঠিকানা থাকে। হয়ত বা ব্যাবসায়িক কাজে নতুন মেইল খুলেছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে সমস্যা হয় নতুন মেইল নিয়মিত চেক করা হয় না। অথচ, গুরুত্বপূর্ণ মেইল এসে বসে থাকতে পারে। তাই জিমেইল নিয়ে এলো সমাধান। আপনি এখন আপনার এক মেইল ঠিকানায় পাঠানো আপনার সচরাচর ব্যবহৃত মেইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফরওয়ার্ড করে দিতে পারবেন।
দয়া করে সবগুলো ধাপ শেষ করবেন। দু' একটা রেখে আবার বলবেন না কাজ হয় না। 
তাহলে, চলুন করে ফেলি-
১. আপনার জিমেইলে প্রবেশ করুন।
২. Basic HTML Option ব্যবহার করলে, উপরের ডান দিকের মেনু থেকে Settings এ ক্লিক করুন।
Standard View তে জিমেইল ব্যবহার করলে নিচের Gear টিতে ক্লিক করুন।
এখান থেকে Settings এ ক্লিক করুন।
৩. Forwarding and POP/IMAP ট্যাবে ক্লিক করুন
Basic HTML Option এ ছবি একটু অন্য রকম আসবে, কিন্তু লেখা একই থাকবে

৪. এবার Add a forwarding address- এ ক্লিক করুন। Basic HTML Option- এ থাকলে ক্লিক করা লাগবে না।
৫. যে ঠিকানায় ফরওয়ার্ড করতে চান, সেটি প্রবেশ করান।

৬. এবার জিমেইল উক্ত ঠিনাকায় একটি verification email পাঠাবে। এটি খুঁজে না পেলে Spam Folder দেখুন।
৭. verificationলিঙ্কে ক্লিক করুন। অথবা verification কোড আছে দেখবেন, সেটি কপি করে আগের ইমেইলে এসে প্রবেশ করান।
৮. জিমেইলে ফিরে গিয়ে পেইজ রিফ্রেশ করুন। কি বোর্ড দিয়ে করতে F5 চাপুন। মাউসে রাইট ক্লিক Reload।
৯. Forwarding and POP/IMAP ট্যাবে আবারও দেখুন Forward a copy of incoming mail সিলেক্ট করা আছে কিনা। আরও দেখুন মেইল ঠিকানা ঠিক মত লিখেছেন কিনা।
১০. ড্রপ ডাউন মেনু থেকে বাছাই করুন ফরওয়ার্ড করার পর মেইল দিয়ে আপনি কী করবেন।  keep Gmail’s copy in the Inbox (recommended) নাকি archive Gmail’s copy ইত্যাদি।
১১. অবশ্যই Save Changes এ ক্লিক করুন।

বন্ধ করতে চাইলে Forwarding and POP/IMAP ট্যাবে গিয়ে Disable forwarding ক্লিক করুন। 
আরো জানতে গুগলে যান 

মৃত মানুষের রেস জয়

১৯২৩ সালের জুনের ৪ তারিখ। প্রতিযোগী জকি (ঘোড়দৌড়ের পেশাদার ঘোড়সওয়ারকে জকি বলে) ফ্র্যাঙ্ক হায়েস বিজয় সীমানা পার হয়ে যান।  প্রতিযোগীতা হয়েছিল আমেরিকার নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ডের বেলমন্ট পার্কে। ঘটনাটি উইকিপিডিয়ায় সমর্থিত। তখন হায়েসের বয়স ৩৫। এর আগে কখনোই তিনি রেসে জেতেননি।
ছবিটি ঐ রেসের নয়
তার ঘোড়া সুইট কিস তাকে সহ সবার আগে সীমানা পার হয়। কিন্তু এ জয় মোটেও সুখকর ছিল না।
দৌড়ের মাঝখানে হায়েস হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তবু, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা দেওয়া হয়।
ঘোড়া যখন শেষ সীমা পার হয় তখন দেখা যায় হায়েস অতিরিক্ত নিরব। একটু পরেই তার প্রাণহীণ নিথর দেহ ঢলে পড়ল ঘোড়ার পিঠ থেকে।
পরে জানা যায়, তার ঘোড়া সুইট কিস অন্য ঘোড়াদের পেছনে ফেলার পরই তিনি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন।
তিন দিন পর তাকে সমাহিত করা হয়। বেলমন্ট জকি ক্লাব এই জয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
এটা একমাত্র ঘটনা যাতে মৃত জকি রেসে জিতেছেন, এমনকি আমাদের জানা ইতিহাসে এটাই মৃত কোন ব্যক্তির রেসে জেতার একমাত্র উদাহরণ।
 অবশ্য, তিনি পেশাদার জকি ছিলেন না, কাজ করতেন আস্তাবলে।
সূত্রঃ
১. http://www.buzzfeed.com/tomphillips/42-incredibly-weird-facts-youll-want-to-tell-people-down-the#3pqgfic
২. http://www.neatorama.com/2012/10/29/Frank-Hayes-The-Only-Dead-Man-to-Win-a-Horse-Race/#!Bq6yf
৩. http://en.wikipedia.org/wiki/Frank_Hayes_%28jockey%29

যে লোক মাটি, পাথর আর ইট খায়

তার নাম পাকিরাপা হুনাগুন্ডি। বয়স ৩০। সাবাড় করেছেন টনখানেক ইট। বাড়ি ভারতের কর্নাটকে। তিনি প্রতি দিন এই ধরণের আবর্জনা তিন কেজি করে খান! ডেইলি মেইল। খবরটি ২ এপ্রিল, ২০১৪ তারিখের।[নিচে ভিডিও দেখুন]
এটা আসলে একটা রোগ। নাম, পিকা। এই রোগে আসক্ত ব্যক্তি খাবার অযোগ্য জিনিসের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে।
 দশ বছর বয়সে এই বাতিকে আক্রান্ত হন তিনি। তার পর থেকে খাবার বা নাস্তার সময় হলেই ছুটে যান মাটির, ইটের বা পাথরের দেয়াল বা স্তুপের কাছে।
 তার দাবী, এসব জিনিস খেয়েও তিনি দিব্যি বহাল তবিয়তে আছেন।
 তিনি বলে, "আমি ২০ বছর ধরে ইট, মাটি, পাথর খাচ্ছি। আমার এগুলো খেতে দারুণ লাগে। এটা আমার জীবনের অংশ হয়ে গেছে। শুর করেছিলাম ১০ বছর বয়সে। কিন্তু এখন এটা আমার জন্য অবিচ্ছেদ্য হয়ে গেছে। আমি অন্য খাবার ছাড়তে পারি কিন্তু ইট, মাটি নয়।"
"আমার কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়নি। আমি নির্বিঘ্নে সবচেয়ে শক্ত পাথরে দাঁত বসাতে পারি।"
 তিনি বাড়ির একটা অংশ সাবাড় করে দিয়েছেন। তার মা তাকে এ অভ্যাস থেকে ফিরাতে পারেননি। হুনাগুন্ডির মতে নির্মাণ সামগ্রীই হচ্ছে A1 (সবচেয়ে ভালো) মানের স্বাদ। তিনি বলেন, "আমাকে ইট, মাটি, পাথরের বদলে মধু দিলেও নেবো না।"
 একজন গ্রামবাসী বলেন,"আমি তাকে ছোট বেলা থেকে চিনি। সে সব সময়ই মাটি, পাথর খেয়ে এসেছে। এক খণ্ড ছোট পাথরও মুখে বিষম আঘাত দেয়। অথচ সে সাবলীলভাবে খেয়ে যাচ্ছে"
এই অদ্ভুত কাণ্ডের খবর শুনে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ তাকে দেখতে ভীড় করে।
তার এক বন্ধু বলনে, "সে কেউকেটা হয়ে গেছে, কিন্তু, বেচারা খুব গরীব। তাকে দেখলে আমাদের দুঃখ হয়। বোঝানোর চেষ্টা করেছি, কাজ হয়নি। এখন আর বোঝাই না।"
জনাব হুনাগুন্ডি, গ্রামের এক সাধারণ শ্রমিক যার নূন আনতে পান্তা ফুরোয়। এখন তিনি ঘুরে তার বিচিত্র কাজ মানুষকে দেখাবেন বলে ভাবছেন।
 তবে তিনি মায়ের প্রতি যত্নশীল।
তিনি বলেন,"বাবা মারা গেছেন ৪ বছর আগে। আমাকে মায়ের দেখাশোনা করতে হয়। আমার আয় রোজগার বেশি না, তাই এবার মেধা কাজে লাগাতে চাই।"
"আমি মানুষকে দেখাতে চাই আমার দক্ষতা,চাই কিছু অর্থ কামাতে"

সূত্রঃ
http://www.dailymail.co.uk/news/article-2595087/Indian-villager-addicted-eating-mud-rocks-BRICKS-gets-three-kilos-debris-day.html

বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

সায়েন্স ফিকশন রিভিউ; গলফ ইন দা ইয়ার টু থাউজেন্ড

গলফ ইন দা ইয়ার টু থাউজেন্ড (Golf in the Year 2000) টাইম ট্র্যাভেল নিয়ে লেখা একটি সায়েন্স ফিকশনধর্মী উপন্যাস।  এর লেখক জে ম্যাককালো।  ১৮৯২ সালে প্রথম প্রকাশিত নভেলটি একবিংশ শতকের সঠিক চিত্র তুলে ধরতে পেরে নাম করে।
গল্পের প্রধান চরিত্র আলেকজান্ডার জে গিবসন ১৮৯২ সালে গভীর ঘুমে তলিয়ে যান।  জেগে দেখেন ২ হাজার সাল হয়ে গেছে অনেকটা যেন আসহাবে কাহাফের মত। এর মানে উনি ১০৮ বছর নিদ্রামগ্ন ছিলেন।  তত দিনে তার বাড়ির মালিকানা পাল্টেছে।  বাড়ির মালিকের সাথে কথাবার্তা শুরু।  সেও গিবসনের মতই গলফ খেলোয়াড়। দু' জনের গলফ মাঠে যাওয়া নিয়েই গল্পের মূল আবর্তন।

এত দিনে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গলফ খেলায় এসেছে আমূল পরিবর্তন।  গলফ ক্লাবে খেলোয়ারদের স্কোর রেকর্ড করা হয়। আগে যেখানে গলফারের ব্যাগ ব্যাগেজ বহনের জন্য আলাদা লোক লাগত এখন সেই কাজ সারা হয় বিশেষ গলফ কার্ট (ঠেলা গাড়ী) দিয়ে।  সবার জন্য অবশ্য পরিধেয় বিশেষ গলফ জ্যাকেট গলফার সুইং শুরু করলে যা ফোর (Fore!) বলে চেচিঁয়ে ওঠে.
সায়েন্স ফিকশনটিতে চিত্রায়িত ২০০০ সালের প্রকৃত ছবি আধুনিক পাঠককেও বিমোহিত করে। যেমন বুলেট ট্রেন, ডিজিটাল ঘড়ি, টেলিভিশন- এসব যন্ত্রের ব্যবহার যদিও সবক্ষেত্রে তাঁর দেওয়া নামগুলো অবিকল নেই। এছাড়াও লেখকের ব্রিটিশ পাউন্ডের ডেসিমাল কয়েনে রূপান্তরের পূর্বানুমান যথার্থ বলে প্রমাণিত হয়।
তবে আকাশে ওড়াউড়ির ধারণা গল্পটি দিতে পারেনি। তার বদলে বলেছে, সমুদ্রতল দিয়ে যাতায়াতকারী ট্রেন আটলান্টিকের এপার থেকে ওপারে কয়েক ঘন্টায় পৌঁছিয়ে দেবে। গল্পে একটি রাসায়নিক যুদ্ধাস্ত্রের কথা বলা হয়েছে যার প্রতিক্রিয়া অবশ্য বাস্তবতার চেয়ে ভিন্নতর। নভেলটির আরেকটি পূর্বানুমান হল নারী স্বাধীনতা। গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্র গিবসন দেখেন যে ২০০০ সালে মেয়েরা পুরুষদের মত জামা কাপড় পরে, ব্যাবসায় কতৃত্ব করে -যেখানে ব্যাংকের কেরাণিরা সবাই মহিলা। এমনকি, নারীদের পদচারণা আছে সরকারেও। সত্যি বলতে, নারীরাই সব কাজ করে, আর পুরুষদের কাজ হল সারাদিন গলফ খেলা! 
১৮৯২ সালে Unwin সায়েন্স ফিকশনটি প্রকাশ করে। বইটি ১৯৯৮ সালে  পুনঃমুদ্রিত হয়েছিল। পাওয়া যাচ্ছে অনলাইনেও।
সোর্সঃ
১. http://en.wikipedia.org/wiki/Golf_in_the_Year_2000
২. http://www.golf-in-the-year-2000.com/

সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

২০১২ এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের বিজয় (ভিডিও)

ভারতঃ ২৯০। 
বাংলাদেশঃ ২৯৩/৫। তামিম ৭০, জহরুল ৫৩, নাসির ৫৪, সাকিব ৪৯, মুশফিক ৪৬।
ফলাফলঃ বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়ী।

মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০১৪

কম্পিউটার বিষয়ক সব পাঠ

কম্পিউটার বিভাগের অধীনে আরো অনেকগুলো উপবিভাগ আছে।
*ওয়েব 
*ব্রাউজিং টিপস
* ফেসবুক
* মেইল 
* ব্লগিং
* এইচটিএমএল (html)
* নোটপ্যাড
* পিসি টিপস
* প্রোগ্রামিং
* প্রযুক্তি
* ওয়েবসাইট নির্মাণ

সকল পোস্ট

বুধবার, ৯ জুলাই, ২০১৪

পিসিতে ফন্ট ইন্সটল বা আনইন্সটল করবেন কীভাবে?

স্বীকার করছি অনেকটা স্বার্থপরের মতই যে টিপস আমার নিজের প্রয়োজন হয় তা আমি আগে নিজে জেনে নিই, পরে অন্যদের জানাই। আমার অনেক পোস্টই এ রকম -যেমন এটি। তবে অনেক সময় নিজের ভালো লাগা বিষয় নিয়েও লিখি।
যাই হোক অনেক সময় সঠিক ফন্টের অভাবে আমরা লেখা সুন্দরভাবে দেখি না। উপরন্তু অনেক সময় বেশ কিছু ফন্টের গোলযোগে লেখা আরো গোলমেলে মনে হয়। অধিক সন্ন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট!
আমার এ ব্লগে Solaimani lipi ব্যবহার করেছি। তবে ইদানিং Siyam Rupali দেখতে ভালো লাগে।
আপনার ডিভাইসে বাংলা না দেখা গেলে বা ভালো না দেখা গেলে সোলাইমানি লিপি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
যাই হোক মূল আলোচনায় আসি-
সোলাইমানি ডাউনলোডের পর যদি মনে হয় আগের চেয়ে খারাপ লাগছে (যেমন আমার হয়েছিল) তাহলে একে আনইন্সটল করতে হবে।
অতএব ক্রমাগত করতে থাকুন এভাবে (ক্লিক করে করে)
Control Panel> Appearance and Personalization> Fonts (অবস্থান একেবারে নিচে- যেমন ছবিতে)

এবার সবগুলো ফন্টের তালিকা পাবেন। যেটা ডিলিট / আন ইন্সটল করবেন সেটার উপর ক্লিক করে উপরের মেনু থেকে Delete এ ক্লিক করুন।
ব্যাস! ফন্টের জ্বালা থেকে বেঁচে গেলেন। 

সোমবার, ৭ জুলাই, ২০১৪

ফেসবুকে কোন প্রোফাইল বা পেজের লিঙ্ক দেবার কৌশল


স্ট্যাটাস আপডেট দেবার সময় স্বাভাবিকভাবেই টাইপ করতে থাকুন।
এবার যখন কোন ফ্রেন্ড বা অন্য কারো প্রোফাইলের বা কোন পেজের লিঙ্ক দেবার প্রয়োজন হবে, তখন টাইপ করুন @ চিহ্নটি। এরপর প্রোফাইল বা পেজের নাম টাইপ করতে থাকুন। অনেকগুলো পেজের/ প্রোফাইলের অপশন ড্রপডাউন লিস্টে দেখা যাবে। আপনার যেটি দরকার সেটিতে ক্লিক করুন। ব্যাস!

যদি অপশন অনেক বেশি আসে অথবা আপনার কাঙ্ক্ষিত পেইজ/প্রোফাইল খঁজে না পান তাহলে পেজে/প্রোফাইলে গিয়ে প্রোফাইল নাম বা পেজের নাম হুবহু কপি করে @ চিহ্নের পর পেস্ট করে দিন। ব্যাস!
আরেকটি বিষয় জানার/জানানোর বাকী থাকতে পারে। সেটি হল ফেসবুকে কীভাবে হাইপারলিঙ্ক দিতে হয় যেমন ব্লগে দেওয়া যায়। শীঘ্রই সেটা জানানোর চেষ্টা করব।

বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০১৪

আপনার নিবন্ধের শব্দ সংখ্যা বের করুন

যাঁদের লেখালেখির অভ্যেস আছে তাঁদেরকে অনেক সময় সীমিত শব্দের মধ্যে কিছু লিখতে হয় যেমন কোন বিষয়ের উপর গবেষণা নিবন্ধ তৈরি বা রচনা লেখা, অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তত করা ইত্যাদি।
আপনি এখন এই পেজেই গুণে ফেলতে পারেন কত শব্দ আপনার লেখা হল -
নিচের বক্সে টাইপ করুন অথবা আগেই টাইপ করা থাকলে এখানে জাস্ট কপি-পেস্ট করে দিন। এরপর ক্লিক করুন গুনুণ -এ।
এছাড়াওও  নেটে অনেক সাইট আছে যেখানে আরো সুন্দর ইন্টারফেসে আপনি শব্দ এবং একই সাথে অক্ষরও গুণতে পারবেন। এমন সাইটের লিস্ট পাবেন এখানে। 
প্রয়োজনে বক্সের নিচে ডানে মাউস চেপে ধরে টেনে বক্সকে লম্বা করতে পারেন।